শেষ ধাপের ভোটে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়

প্রকাশিত: ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৯

পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের শেষ ধাপে ৯টি উপজেলায় আ.লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে জিতেছেন। আটটিতে আ.লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী ও ৩টি উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ.লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে শেরপুরের নকলা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, মাদারীপুর সদর, রাজবাড়ীর কালুখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও খুলনার ডুমুরিয়ায় আ.লীগের বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন।

গাজীপুর সদর, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, নাটোরের নলডাঙ্গা, রাজশাহীর পবা, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, বরগুনার তালতলী, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ও নেত্রকোনার পূর্বধলায় আ.লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ বন্দর, ফেনীর ছাগলনাইয়া ও নোয়াখালী সদর এ তিন উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আ.লীগের প্রার্থী।

এদিকে উপজেলা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হয়েছে প্রত্যেকটি কেন্দ্রেই। সামান্য একটু সমস্যা হয়েছিল। কয়েকটি ঘটনা ছাড়া বাকি উপজেলাগুলোতে ভোট মোটামুটি সুষ্ঠু হয়েছে।

যেসব উপজেলায় গণ্ডগোল বেঁধেছিল, তাও ইসির তৎপরতায় সামাল দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

চতুর্থ ধাপে ৩১মার্চ ছয়টি উপজেলায় এবং ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে চারটি উপজেলায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। পঞ্চম ধাপে চারটি উপজেলার সবগুলো কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়।

এবার দেশের প্রায় পাঁচশ উপজেলায় পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ হয়। গত১০ মার্চ শুরু হওয়ার পর ১৮ মার্চ, ২৪ মার্চ ও ৩১ মার্চ সাড়ে চারশ উপজেলায় ভোট হয়।

প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ভোট বর্জন করেছে।

জিআরএস/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন