কাদিয়ানী ইজতেমার বিপক্ষে ঢাকায় মিছিল সমাবেশ

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯

সম্মিলিত খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের কথিত ইজতেমা বন্ধের দাবিতে আজ ঢাকার পল্টন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে মৎস ভবন ঘুরে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

মিছিল পরবর্তি সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের ইজতেমা বন্ধের বিষয়ে জোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুন : কাদিয়ানী ইজতেমার বিপক্ষে ঢাকায় মিছিল কাল

বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি ও মধুপুরের পীর সাহেব মাওলানা আবদুল হামিদ এ প্রতিবাদ সভা ও মিছিলের সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, অমুসলিম কাদিয়ানী সম্প্রদায় দীর্ঘদিন যাবত এদশের ধর্মপ্রাণ নিরীহ মুসলমানদের ধোকা দিয়ে যাচ্ছে। মুসলামান নাম দিয়ে তারা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণে ব্যস্ত আছে। এই মুহুর্তে জাতীয় ইজতেমার নামে পঞ্চগড়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার মহা আয়োজন করেছে বলে আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি। আমরা সরল মুসলমানদের ঈমানহারা করার এই আয়োজন বন্ধের চোর দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন : কাদিয়ানী ইজতেমা আয়োজনের পরিণতি ভালো হবে না : আল্লামা বাবুনগরী

সভায় বক্তব্য রাখেন, খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি ইমাদুদ্দীন, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়াত মুভমেন্টের আমীর মুফতি শোয়াইব ইব্রাহীম, মহাসচিব মুহাম্মদ নাজমুল হক, আমরা ঢাকাবাসীর সভাপতি হাজী শামছুল হক, খতমে নবুওয়াত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আলীম নেজামী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ও খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী সভায় বক্তব্য দেন। তারা খতমে নবুওয়াতের এই আন্দোলনের পক্ষে নিজ নিজ দলের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন : কাদিয়ানীদের ইজতেমা আয়োজন বন্ধ করুন : ইসলামী আন্দোলন

এছাড়াও মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, মুফতি হাবিবুল্লাহ মিসবাহ, মুফতি মিজানুর রহমান, হাফেজ মাওলানা আহমাদুল্লাহ, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা আজিজুল হক শেখ সাদী প্রমুখ ওলামায়ে কেরাম মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, পঞ্চগড়ে কাদিয়ানি জামাত আগামী ২২-২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় ইজতেমা’ করার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইজতেমা সফল করতে নানা ধরনের প্রতারণামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যাতে সাধারণ মুসলমানের বিভ্রান্ত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের। এতে এলাকার মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভের তৈরি হয়েছে। তারা মুসলিম নামধারী অমুসলিম সম্প্রদায়ের ইজতেমাসহ সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন : প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও কাদিয়ানী ইজতেমা বন্ধ করা হবে : মুফতী ফয়জুল করীম।

মন্তব্য করুন