সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন ব্যারিস্টার সুমন

প্রকাশিত: ৬:৪৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০২০

ব্যারিস্টার সুমনের ব্যাক্তিগত জীবন ও লেখাপড়া বিষয়ক সার্বিক তথ্য ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রতিবেদনের শেষে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন ব্যাপক আলোচিত লোক। একদিকে তিনি একজন আইনজীবী অপরদিকে তিনি অনুসরণীয় একজন সমাজসেবক। নিজ উদ্যোগে সমাজসেবামূলক একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

ব্যারিস্টার সুমনের উদ্যোগে মেডিকেল টিম, বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেওয়া হবে চিকিৎসা

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন ব্যারিস্টার সুমন। মানুষের উপকার এবং করোনাভাইরাস ইস্যুতে এসে তার সমাজসেবামূলক কাজগুলো দৃষ্টি কেড়েছে সবার। মানুষ তাই প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট এই পরোপকারী মানুষটিকে।

এখনই সময় দেশপ্রেমিক হওয়ার : ব্যারিস্টার সুমন

করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময়টাতে তিনি বসে থাকেননি বরং নিজের সাধ্যমত ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাস দেড়েক আগেই করোনাভাইরাস নিয়ে ব্যারিস্টার সুমন সবার আগে বাংলাদেশের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ব্যারিস্টার সুমনের সেই বার্তাটি দেখতে ক্লিক করুন।

বাংলাদেশে গত ৮-ই মার্চ করোনাভাইরাস ধরা পরার পর সারাদেশে লকডাউন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এরপর থেকেই নিজের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এমনকি প্রতিটি কাজ এবং সতর্কতা বিষয়ে তিনি ফেসবুকে নিয়মিত আপডেট দিচ্ছেন এবং মানুষকে যথাসম্ভব সতর্ক করার চেষ্টা করছেন।

করোনা সংকটে হাসপাতালে নিজের গাড়ী দিলেন ব্যারিস্টার সুমন

তাঁর নিজ এলাকা থেকে শুরু করে দেশের যে কোন সমস্যা বিষয়ে তিনি মানুষকে সচেতন করেছেন। দিয়েছেন পরামর্শ। নিজের বেতন থেকেও তিনি মানুষকে সাহায্য করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এর মধ্যেই তাঁর নিজের ব্যক্তিগত গাড়িটি দিয়েছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা হাসপাতালে। পরবর্তীতে নিজ উদ্যোগে গঠন করেছেন মেডিকেল টিম। ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে।

কিস্তি নয়, মানুষকে চাল-ডাল দিয়ে সহযোগিতা করুন: ব্যারিস্টার সুমন

এখানেই শেষ নয় প্রতিটি বিষয়ে তিনি মানুষকে জানিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে। ব্যারিস্টার সুমনের কথাগুলো পৌঁছে যাচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন সংখ্যার মানুষের কাছে। যা দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় সুমন ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন।

‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই কি করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছেন’: প্রশ্ন ব্যারিস্টার সুমনের

ব্যারিস্টার সুমনের ফেসবুক পেজের কমেন্ট বক্স ঘুরলে দেখা যায় হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রিয় ব্যারিস্টারকে এসব কাজের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছেন এবং তার প্রশংসা করছেন। তার বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট থেকে অল্প কিছু কমেন্ট এখানে সংযুক্ত করে দেয়া হলো।

মো. আরাফাত শুভ লিখেছেন, স্যার, প্রতিটি উপজেলায় যদি আপনার মত একজন করে সাদা মনের মানুষ থাকতো তাহলে দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হতো।

প্রভাংশু নামের একজন মন্তব্য করেছেন, সুমন স্যারের প্রশংসা করে শেষ করা যাবে না। আমি আপনার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেনো আপনাকে দীর্ঘায়ু দান করেন, আপনি এই মহৎ কাজ যেনো আজীবন চালিয়ে যেতে পারেন।

শেখ শাহিন লিখেছেন, আপনার মত কিছু কিছু ভালো মানুষ আছে বলেই আজও সৎ সাধারন মানুষগুলো বাচার স্বপ্ন দেখে, বাংলাদেশের এমপি,মন্ত্রী এবং উচ্চ লেভেলে যারা আছেন তাদের আপনার থেকে শিখা উচিৎ। আল্লাহ আপনার মংগল করুন এবং আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে এই করোনাভাইরাস থেকে হেফাজত রাখেন, আমিন।

তাপশ দাস লিখেছেন, আপনার মতো মানবতার মুর্ত প্রতিক প্রতি উপজেলায় ১জন করে হলে ও এদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হতে বেশি সময় লাগতো না।

ইমতিয়াজ আহমেদ লিখেছেন, মাঝখানে কিছুদিন সুমন ভাই এর কাজ আমার ভালো লাগতো না, তাই এড়িয়ে যেতাম কিন্তু এখন উনি আবার আগের জাগাই ফিরে এসেছে, সত্যি নিজের কাছেও ভালো লাগ প্রিয় মানুষ টার অগ্রগতি যখন দেখি।

হাবিব মাতবর লিখেছেন, সুমন ভাই আমার বাড়ী মুন্সিগন্জ,আমি আপনার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়মিত আপনার পোস্ট গুলি দেখি। অনেক ভালো লাগে, এই ধরনের ভালো মানুষ বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যায় না। আপনার প্রতিটি কাজই আমার ভালো লাগে, এগিয়ে যান।

মুক্তাদির খান লিখেছেন, ভাই আপনাকে হাজার সালাম। আপনি একজন ব্যারিস্টার হওয়ার পরেও যেই ভাবে সাধারণ মানুষের দুঃখ দুর্দশায় পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বর্তমান সময়ে এমনটা চোখে পড়ে না। আমরা ধন্য আপনার মতো একজন মানুষ আমাদের দুই চোখে দেখতে পেরেছি । একজন ভালো এবং ত্যাগী মানুষের কাল্পনিক চরিত্র আপনার মধ্যে ফুটে উঠে যা দেখে মানুষের নৈতিক চরিত্রের প্রতিফলন ঘটেছে। মোট কথায় আপনার প্রতিটি কাজ প্রশংসার দাবিদার। আপনার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা। আল্লাহ যেনো আপনার প্রতিটি নেক কাজের উত্তম প্রতিফল দান করেন।

মো. জনি লিখেছেন, যদি আমাদের এলাকায় একটা ব্যারিষ্টার সুমন থাকতো! আল্লাহ আপনি বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামে অতন্ত্য একটি করে ব্যারিষ্টার সুমন তৈরী করে দেন।

অর্পা ইসলাম লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ্ খুব ভালো হবে যদি এইরকম উদ্যোগ নেওয়া হয়। সত্যি ভাই মানুষ মানুষের জন্য আপনি যা করছেন অসহায় মানুষের জন্য তারা ও আপনার জন্য মন থেকে দোয়া করবে। এটাই এখন বড় মানবতার কাজ।

রাকিব হোসাইন লিখেছেন, অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার প্রত্যেকটা উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয় । এভাবেই এগিয়ে আসুক দেশের বিত্তবানরা, দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক মানবতার জন্য। আল্লাহ্ আপনাকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘায়ু দান করুন আমীন।

সঞ্জয় কুমার বিশ্বাস লিখেছেন, আপনাকে য‌তো দেখ‌ছি ত‌তোই আপনার প্র‌তি শ্রদ্ধা বে‌ড়ে যা‌চ্ছে। (ভগবা‌নের) ক‌া‌ছে প্রার্থনা ক‌রি ,ভগবান যেন আপনা‌কে সব সময় ভাল রা‌খে।

আরিফ রনি লিখেছেন, ভাইয়া তেমন কিছু বলতে চাই না শুধু বলতে চাই দেশের সকল মানুষ যদি যারযার অবস্থান থেকে আপনার মত দেশের মানুষের সেবায় এগিয়ে আসতো তাহলে আমরা সত্যিকার সোনার বাংলা গড়তে পারতাম।ভালো থাকবেন ভাইয়া দোয়া রইলো আপনার জন্য।

আবুল হাসান লিখেছেন, আপনার মতো মানুষ প্রতিটি উপজেলায় থাকলে দেশটার অনেক বেশি ভালো হতো। এ মহাদূর্যোগে আপনার এ প্রচেষ্টায় আপনার এলাকার সাধারণ মানুষের অনেক খানি কষ্ট লাঘব হবে। আপনি ধন্য। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক। আমিন।

এছাড়াও ব্যারিস্টার সুমনের প্রতিটি লাইভেই হাজার হাজার মন্তব্য পাওয়া যায় যা ব্যারিস্টার সুমন কে এই কাজে এবং সামাজিক সেবায় অবদান রাখতে উদ্বুদ্ধ করে বলে পাবলিক ভয়েসকে জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে তিনি বলেন আমি মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই আজীবন।

ব্যারিস্টার সুমনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :

সৈয়দ সাঈদুল হক সুমন একজন বাংলাদেশী আইনজীবী, ব্যারিস্টার এবং সামাজিক কর্মী। যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ছিলেন। (এ পদ থেকে নিজেই পদত্যাগ করেছেন তিনি)

নাম: সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। জন্ম: ৩রা সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ ইং। জন্মস্থান: সিলেট, বাংলাদেশ। জাতীয়তা: বাংলাদেশ। পেশা: আইনজীবী, ব্যারিস্টার এবং সামাজিক কর্মী। শিক্ষা: লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়। স্ত্রীঃ মিসেস সায়দা।

শৈশব জীবন : সাঈদুল হক সুমন ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে সিলেটের হবিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স ৪১ বছর চলমান। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী এবং তার মা হলেন গৃহিনী। তিনি ডিসিপি উচ্চ বিদ্যালয়ে তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

কর্ম ও শিক্ষাগত জীবনঃ সাঈদুল হক সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং/বিপণন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। পরে তিনি সিটি ল স্কুল থেকে বার ভোকশনাল কোর্স অধ্যয়ন শুরু করেন এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। এরপর বাংলাদেশে এসে তিনি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসাবে কাজ করেন। তিনি সৈয়দ রেজাউর রহমানের সহযোগী এবং ওকুপেশনাল নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশকলার সহযোগী ও পরিচালক।

এক নজরে তার শিক্ষাগত জীবনঃ ২০০৪ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু। ২০০৮ সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শুরু। ২০১০ সালে তিনি সৈয়দ রেজাউর রহমান সহযোগী হয়ে কাজ শুরু করেন। ২০১৯ সালে হতে তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যারিস্টার হিসেবে খ্যাতি পান।

ব্যক্তিগত জীবনঃ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে তিনি একজন সুপরিচিত ও সফল ব্যাক্তি। সাঈদুল হক সুমন বিবাহিত এবং তার সন্তান ও স্ত্রী মিসেস সায়দা সাথে স্ব-পরিবারে বসবাস করেন।

এইচআরআর/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন