করোনা প্রতিরক্ষায় দুর্ভিক্ষের কবলে যেন না পড়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২০

করোনা ভাইরাস— ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান প্রদেশে প্রথম এই ভাইরাস চিহ্নিত করে দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এই ভাইরাসে লোকজন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলেও ভাইরাসের ধরনটা আসলে কী এবং তার চিকিৎসাই বা কী তা আজ পর্যন্ত কোনো গবেষক, বিজ্ঞানী বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবিষ্কার করতে পারেননি।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের দিকে এগিয়ে এসে বলেন, হে মুহাজিরগণ! তোমরা পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। তবে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যেন তোমরা তার সম্মুখীন না হও।

১। যখন কোনো জাতির মাঝে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন সেখানে মহামারী আকারে প্লেগরোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তাছাড়া এমন সব ব্যধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বের লোকদের মাঝে কখনও দেখা যায়নি।
২। যখন কোনো জাতি ওজন ও পরিমাপে কারচুপি করে, তখন তাদের ওপর নেমে আসে দুর্ভিক্ষ, কঠিন বিপদ-মুসীবত
৩। আর যখন মালের যাকাত আদায় করে না, তখন আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। যদি ভু-পৃষ্ঠে চতুষ্পদ জন্তু ও নির্বাক প্রাণী না থাকতো তাহলে আর কখনও বৃষ্টিবর্ষণ হতো না।
৪। যখন কোনো জাতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ওপর বিজাতীয় দুশমনকে ক্ষমতাসীন করেন এবং সে তাদের সহায়-সম্পদ সবকিছু কেড়ে নেয়।
৫। যখন তোমাদের শাসকরা আল্লাহর কিতাব মোতাবেক মীমাংসা করে না এবং আল্লাহর নাযীলকৃত বিধানকে গ্রহণ করে না, তখন আল্লাহ তাদের পরস্পরের মাঝে যুদ্ধ বাধিয়ে দেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪০১৯)

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন—

فَاَرۡسَلۡنَا عَلَیۡہِمُ الطُّوۡفَانَ وَ الۡجَرَادَ وَ الۡقُمَّلَ وَ الضَّفَادِعَ وَ الدَّمَ اٰیٰتٍ مُّفَصَّلٰتٍ ۟ فَاسۡتَکۡبَرُوۡا وَ کَانُوۡا قَوۡمًا مُّجۡرِمِیۡنَ

অতঃপর আমি তাদেরকে প্লাবন, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত দ্বারা ক্লিষ্ট করি; এগুলি ছিল স্পষ্ট নিদর্শন। কিন্তু তারা দাম্ভিকই রয়ে গেলো, আর তারা ছিল এক অপরাধী সম্প্রদায়।  (সূরা আরাফ-১৩৩)

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اذۡکُرُوۡا نِعۡمَۃَ اللّٰہِ عَلَیۡکُمۡ اِذۡ جَآءَتۡکُمۡ جُنُوۡدٌ فَاَرۡسَلۡنَا عَلَیۡہِمۡ رِیۡحًا وَّ جُنُوۡدًا لَّمۡ تَرَوۡہَا ؕ وَ کَانَ اللّٰہُ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ بَصِیۡرًا

হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো, যখন শত্রুবাহিনী তোমাদের বিরুদ্ধে সমাগত হয়েছিল এবং আমি ওদের বিরুদ্ধে ঝড় এবং এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম, যা তোমরা দেখতে পাওনি। আর তোমরা যা করো, আল্লাহ তা দেখেন।
(সূরা আহযাব-৯)

وَ مَا یَعۡلَمُ جُنُوۡدَ رَبِّکَ اِلَّا ہُوَ ؕ وَ مَا ہِیَ اِلَّا ذِکۡرٰی لِلۡبَشَرِ

আপনার রবের বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন। এটাতো মানুষের জন্য সাবধান বাণী।
(সূরা মুদ্দাসসির-৩১)

وَ کَمۡ اَہۡلَکۡنَا قَبۡلَہُمۡ مِّنۡ قَرۡنٍ ہُمۡ اَحۡسَنُ اَثَاثًا وَّ رِءۡیًا

তাদের পূর্বে কত জাতিকে আমি বিনাশ করেছি, যারা তাদের অপেক্ষা সাজ-সরঞ্জাম ও বাহ্যিক দৃষ্টিতে শ্রেষ্ঠ ছিল।
(সূরা মার‌ইয়াম-৭৪)

পবিত্র কোরআন ও হাদীসের ভাষ্য থেকে এতটুকু বোঝা যায়, করোনা ভাইরাস সাধারণ কোনো মহামারি নয়, নিশ্চয়ই এটা আল্লাহ প্রদত্ত গজব ও পরীক্ষা। চীনসহ প্রায় দুইশো রাষ্ট্র আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে।

প্রথমে চীনের বাইরে আরও তিনটি দেশে এই ভাইরাস পাওয়া যায়— দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড এবং জাপান।

ভাইরাসটা ঠিক কীভাবে ছড়িয়েছে, কী তার চিকিৎসা, বিশ্বের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীরা এখনও সেটা নিশ্চিত করতে পারেন নি!

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইতালীতে। রেকর্ডসংখ্যক মানুষ মারা গেছে ইতোমধ্যেই। প্রতি আড়াইমিনিটে একজন মানুষ মারা যাচ্ছে সে দেশে। ইতালীর রাষ্ট্রপ্রধান বলে দিয়েছেন— “আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে মারা গিয়েছি। আমরা ক্লান্ত। আমাদের হাতে আর কিছু নেই। এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো পথ বা পন্থা আমাদের জানা নেই”

বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এত এত পদক্ষেপ নিয়েও যেখানে পুরোপুরি ব্যর্থ, সেখানে আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা যাচ্ছেতাই বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন! সরকারের আস্থাভাজন বলেছেন— আমরা করোনা থেকেও শক্তিশালী! এসব আল্লাহবিরোধী কথা না বলে যদি সেই ডিসেম্বর জানুয়ারি থেকেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতেন, হয়ত আজ দেশের এমন বেহাল দশা হতো না।

যখন প্রস্তুতি নেওয়া হলো, তখন অন্তত কয়েকহাজার প্রবাসী পরীক্ষা ছাড়াই দেশে ঢুকে পড়েছে। এখন যেভাবে গ্রামে গ্রামে প্রবাসীদের হয়রানী ও লাঞ্ছিত করা হচ্ছে, শুরু থেকে সতর্ক হলে এমন লজ্জাজনক দৃশ্য দেখতে হতো না।

করোনার মতো মহামারির সুযোগও গ্রহণ করেছে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী ও সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটবাণিজ্যে নেমেছে আর প্রশাসন নেমেছে ঘুষ বাণিজ্যে! এয়ারপোর্টে একনোটের ঘুষে অনেক প্রবাসীকে পরীক্ষা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রবাসীদের কোয়ারেন্টিনের ভয় দেখিয়েও ঘুষ দাবি করার অভিযোগ আছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে!

বাংলাদেশ সরকারও পদক্ষেপ নিয়েছেন, কিন্তু বেশ দেরি করে। ততোক্ষণে হাজার হাজার রোগী হয়তো সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কারণ পরীক্ষা করার যন্ত্রই তো নাই যে পরীক্ষা করে সংখ্যা নির্ণয় করা যাবে।

দ্রব্যমূল্যরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় ভূমিকায় আছে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধন্যবাদ পাবে। বেশ প্রশংসনীয় কাজ এটা।

দেশে আসা প্রবাসী ও আক্রান্তরা হোম কোয়ারেন্টিন মানছে না। গণজমায়েত এড়িয়ে চলছে না। সরকার, সচেতন মহল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, চিকিৎসক ও আলেমদের জনসচেতনতামূলক বাণী এবং সতর্কবার্তা থাকার পরও খামখেয়ালী মতো চলছে।

জনসচেতনতা ও করোনা থেকে প্রতিরক্ষায় বিশ্বের বহু দেশ লকডাউন, কারফিউ, জরুরী অবস্থা জারি করেছে। গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। বহু দেশে মসজিদ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি পবিত্র মক্কা-মদীনায়ও জুমা পর্যন্ত বন্ধ!

যেসব দেশে জরুরী অবস্থা বা লকডাউন করা হয়েছে, সেসব দেশে বিদ্যুত বিল, পানি বিল, বাসা ভাড়া, ব্যাংক কিস্তি মওকূফ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যও সরবরাহ করা হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে।

কানাডা সরকার চার কোটি নাগরিকের চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সবকিছু বহন করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

দিনমজুরদের ভর্তুকির ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন— প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে মাসিক হাজার ডলার ও বেতন ভর্তুকি দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে পাঁচ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ করেন তিনি।

প্যাকেজ ঘোষণা করেছে জার্মানি, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। তাদের প্যাকেজে রয়েছে কর মওকুফ, চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক ঋণ সুবিধা।

ছোট ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সচল রাখতে এককালীন ২৫ হাজার ডলার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

বাংলাদেশ সরকার ১৮ মার্চ সবধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণজমায়েতমূলক অনুষ্ঠাগুলো বন্ধ ঘোষণা করেন। বন্ধ ঘোষণার তিনদিনের মাথায় করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭ এবং মৃত্যু হয় দুইজনের। ২১ মার্চ বাংলাদেশকে লকডাউনের পরামর্শ দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা।

এরপর গতকাল সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ সময়ে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না।

২৬ মার্চ সরকারি ছুটি। ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি। ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। লাগাতার এই দশদিন কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। যানচলাচলসহ দেশের সবধরণের যাতায়াত ব্যবস্থাও বন্ধ থাকবে বললেই চলে। ইতোমধ্যে কয়েকজেলায় দূরপাল্লার বাস স্থগিত করা হয়েছে।

আজ থেকে মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। এ পদক্ষেপ অন্তত আরও একমাস আগেই নেওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু এমন সময়ে এসে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যখন অনেকটা দিশেহারা অবস্থা।

দশদিন দেশের খেটে খাওয়া মানুষের কী হবে? অসংখ্য দিনমজুর রয়েছে যারা দিনের খাবার দিনের পারিশ্রমিক দিয়ে কেনে। দশদিন তাদের হাতে কোনো কাজ নেই। ইতোমধ্যে তাদের মাঝে হাহাকার শুরু হয়েছে। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগেই দিনমজুরদের করুণ দশা দৃশ্যমান।

দিনমজুরদের ব্যবস্থা না করে সাধারণ ছুটি ও কর্মক্ষেত্র বন্ধ কতটা যৌক্তিক তা প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিদ্ধান্তটাও অবশ্যই ঠিক আছে। কারণ মহামারি ভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে বলে জানা গেছে। আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯০ হাজার মানুষ। অতএব অবহেলার কোনো সুযোগ নেই।

কিন্তু দিনমজুরদের জন্য আগেই কোনো একটা ব্যবস্থা করা দরকার ছিল। বাংলাদেশে দিনমজুরের সংখ্যা অনেক বেশি। দশদিনের কর্মবিরতিতে তাদের সামনে অন্ধকার ছাড়া কিছুই থাকার কথা নয়। করোনা প্রতিরক্ষায় যেন দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি না হয় বাংলাদেশ, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে সরকারকেই।

করোনা প্রতিরক্ষায় কোয়ারেন্টিন আছে, দুর্ভিক্ষে কোয়ারেন্টিন নাই। অতএব, দিনমজুরদের ব্যাপারে সরকারের ভাবা উচিৎ। দেশের শিল্পপতি, বিত্তশালী ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে জরুরী মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে (অনলাইন কনফারেন্স হতে পারে)।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে শুধু কারখানা সংখ্যাই আছে ২৮,৪৬৫ টি (আটাশ হাজার চারশো পয়ষট্টি)। ঢাকায় ৫,৩৩২ টি (পাঁচহাজার তিনশো বত্রিশ)। সারাদেশে কারাখানায় শ্রমিক সংখ্যা- পুরুষ ২৪,৪২,৫৭২ জন (চব্বিশ লাখ বেয়াল্লিশ হাজার পাঁচশো বাহাত্তর)- মহিলা ১৭,৩৪,০১৯ জন (সতের লাখ চৌত্রিশ হাজার উনিশ), মোট ৪১,৭৬,৫৯১ জন (একচল্লিশ লাখ ছিয়াত্তর হাজার পাঁচশো একানব্বই)। ঢাকায় পুরুষ মহিলা মিলে ১১,৫৯,৮৫৭ জন (এগারো লাখ উনষাট হাজার আটশো সাতান্ন)।

এর বাইরে বাস-ট্রাক শ্রমিক, লঞ্চ শ্রমিক, হকার, রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকসহ লক্ষ লক্ষ দিনমজুর রয়েছেন, তাদের কী হবে, কীভাবে চলবে তাদের পরবর্তী দিনগুলি, সে বিষয়ে এখনই না ভাবলে বড়ধরণের দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ।এর বাইরে বাস-ট্রাক শ্রমিক, লঞ্চ শ্রমিক, হকার, রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকসহ লক্ষ লক্ষ দিনমজুর রয়েছেন, আছে এতীমখানাও। অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যেখানে গরীব অসহায় শিশু-কিশোররা লেখাপড়া করে, তাদের কী হবে, কীভাবে চলবে তাদের পরবর্তী দিনগুলি, সে বিষয়ে এখনই না ভাবলে বড়ধরণের দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ।

করোনা প্রতিরক্ষা ও সরকারী ব্যবস্থাপনা : আমাদের করণীয় কী

মন্তব্য করুন