ইসলামী শরিয়ায় নারী : তরুণ দুই বিশ্লেষকের মতামত

প্রকাশিত: ৭:১৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৮, ২০২০

ইসলামী শরিয়ায় নারীর মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গ নিয়ে দুই তরুণ বিশ্লেষকের দুটি মতামত একত্রিত করা হয়েছে। এখানে বেশ গোছালোভাবে নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাঁর সার্বিক উন্নতির বিষয়গুলোর সাথে ইসলামী ভাবধারার একটি সুসম্পর্কের দিক এবং কিছু মৌলিক নীতি প্রকাশ করেছেন লেখকদ্বয়।

একটি লেখা মেধাবী তরুণদের জন্য একান্ত পরিচিত মুখ ও ছাত্র রাজনীতিতে একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা শেখ ফজলুল করীম মারুফ-এর। তিনি ইসলামের সাথে নারীর ক্ষমতায়নের একটি উপসংহারমূলক মতামত প্রকাশ করেছেন। অপর লেখাটি মেধাবী তরুণ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিলিজিয়াস টিচার মুহম্মদ জিয়াউল হক-এর। তিনি লেখাটিতে ইসলামের সাথে নারীর ক্ষমতায়নের যোগসূত্রের একটি সুন্দর মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।

জিয়াউল হক-এর চোখে ‘ইসলামী শরিয়ায় নারীর মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে’র বিশ্লেষণ নিম্নরূপ :

নারী ও পুরুষকে আল কুরআনে পরষ্পরের পোশাক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে ৷ তার মানে নারী – পুরুষ পরষ্পর নির্ভরশীল ৷ নারী যেমন পুরুষের ভূষণ হিসেবে তার যায়গায় ক্ষমতাবান, পুরুষও তেমনি নারীর অলংকরণ ৷ তাদের আন্ত:লিঙ্গীয় সম্পর্ক দ্বান্দ্বিক কিংবা পুরুষ বা নারীতান্ত্রিক নয়; বরং ইসলামি সমাজ হচ্ছে পারস্পারিক নির্ভরশীলতার ও নারী পুরুষের সম-মর্যাদার ৷ আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তারা তোমাদের , আর তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ । ” (সূরা আল বাক্বারা : আয়াত ১৮৭)

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন : মহর প্রদানের নিশ্চয়তা বিধানের মাধ্যমে ইসলামি শরিয়াহ  বিবাহের প্রথম প্রহরেই নববধুকে স্পর্শের আগে তাকে অর্থকড়ির স্বত্তাধিকারী বানায় ৷ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সচেতনতার মাধ্যমে পুরুষকে স্ত্রীর মহর প্রদানের ‘গণ প্রবণতা’ তৈরি করবে কর্তৃপক্ষ ৷ যা বর্তমান সমাজে বিরলদৃষ্ট ৷

ফলে বাসরশয্যায় নবদুলহান তার মেহেদী রাঙা হাতে প্রেম, ভালোবাসা, সম্মান, মর্যাদা, আর্থিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক ক্ষমতায়নের প্রতীক স্বরূপ উচ্চ মানের আর্থিক উপঢৌকনের অধিকারী হবে ৷ যার তসররুফের এখতিয়ার একচেটিয়া নারীরই ৷ নারীর এমন আর্থিক ক্ষমতায়ন ইসলাম ই সর্বপ্রথম পৃথিবীতে উদ্ভাবন করেছে ।

শিক্ষায় নারী : নারী ও পুরুষের লৈঙ্গিক পৃথকতা মেনে নিয়েই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পৃথক হল থাকছে ৷ ইসলামি শরিয়াহ এই নারীবান্ধব বিষয়টিকে সম্প্রাসারিত করে উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার কথা বলে ৷

পড়ুন : একবিংশ শতাব্দীতে নারীরা ভালো নেই : ইসলামে নারীর অধিকার

যেন অসাধু শিক্ষক -সহপাঠী দ্বারা নারী নিগ্রহের অঘটনগুলো এড়িয়ে চলা যায় ৷  নারীদের স্বতন্ত্র বিদ্যালয়, মেডিকেল, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠা হলে নারী শিক্ষার পরিবেশ অধিকতর নিরাপদ হবে ।

কর্ম ও চলাচলের স্বাধীনতা : নারীর ব্যয়ভার পিতা, স্বামী ও সন্তানের কাধেই সাধারণভাবে ন্যাস্ত ৷ এতদসত্ত্বেও যদি নারী তার অর্জিত দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রতিফলনে প্রয়োজনে বা শখে কর্মে নিয়োজিত হতে চায়; সেক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়াহ তার কর্ম পরিবেশ নারীবান্ধব হওয়ার শর্তারোপ করে   ৷ যেন তাঁর কর্মস্থলে স্বস্তিকর ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ বিরাজ করে ।

ইসলামের জিহাদগুলোতে নারীদের সক্রিয় উপস্থিতির নজির পাওয়া যায় ৷  নারীদের জন্য তাদের উপযোগী কর্ম প্রতিষ্ঠান ও সুকুমারবৃত্তিমূলক ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হলে নারীর উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে ৷

নারীরা জাতীয় আয় ও দেশজ উৎপাদনে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে ৷ এখন অনুকূল কর্ম পরিবেশ না থাকায় সিংহভাগ নারীই ঘরে আবদ্ধ থাকেন ৷ ইচ্ছা, যোগ্যতা ও প্রয়োজন সত্তেও বহু নারী জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে পারছেন না ৷

কিন্তু ইসলামি নীতিশাস্ত্র নারীর মনোদৈহিক সক্ষমতার বিবেচনায় ও তার সময় সুযোগের কথা মাথায় রেখে পৃথক কর্মালয় ও নারীবান্ধব শিল্প কাঠামো ও প্রশাসন তৈরির কথা বলে যাতে নারীরা নিশ্চিন্তে আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে পারেন ৷

নানা পেশায় নারী : খিলাফত আমলে জটিল ও অস্পষ্ট শরঈ বিধানের সমাধানে তৎকালীন মুজতাহিদগণের শেষ ভরসা ছিলেন মুমিন জননী জ্ঞানতাপসী আয়েশা রা. ৷ পন্ডিত সাহাবীগণ তাঁর কাছে ছুটে যেতেন বিভিন্ন বিষয়ে সমাধান নিতে ৷

তিনি একজন আইনজ্ঞ, কুরআনের ভাষ্যকার, হাদিস বিশেষজ্ঞ এবং শ্রেষ্ঠ সপ্ত রাবির অন্যতম ছিলেন৷ একাধারে একজন কবি, ধর্মতাত্তিক, বিচক্ষণ, মেধাবী নারী হিসেবে জ্ঞানবিকাশে তাঁর অবদান অবিস্বরণীয়৷

খাদিজা রা আমদানি রপ্তানির ওয়ার্ল্ড ট্রেডার ছিলেন ৷ আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধণাট্য ব্যবসায়ী রমণী ছিলেন তিনি৷ রাসুলের যুদ্ধযাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ সময়ের পুরোটা জুড়ে তাঁর স্ত্রীরা সাথেই থাকতেন৷ প্রয়োজনীয় কৌশলগত পরামর্শ দিতেন৷

বিখ্যাত হানাফি ইমাম নুমান বিন সাবিত তদীয় কন্যা হানিফার জ্ঞানগর্ভ ফিকহি সমাধানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবু হানিফা (কন্যা হানিফার পিতা )পরিচয়ে জনপ্রিয় হন ৷

নারীদের শিক্ষিকা, ব্যবসায়ী প্রভৃতি পেশাবৃত্তি গ্রহণে ইসলামের ভেতরেই অসংখ্য নজির রয়েছে ৷

মত প্রকাশের স্বাধীনতা : খলিফা ওমর রা. একদা রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপনে নারীদের বিবাহকালীন দেয়া মহরের অনূন্য হার নির্ধারণ করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ৷ রীতি মোতাবেক জনগণের উদ্দেশ্যে জাতীয় মসজিদের নিয়মিত ভাষণে তিনি বিষয়টি উত্থাপন করলেন ৷ তাৎক্ষণিক একজন বিদূষী রমণী তাঁর এই ফরমানের তীব্র বিরোধিতা করলেন ৷

তিনি খলিফাকে যুক্তি দিলেন ; “মহর বর ও কনে পক্ষের একটা দর কষাকষি ও সমঝোতার ব্যাপার । রাষ্ট্র এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের এখতেয়ার রাখে না ৷” ওমর রা. এর মত প্রতাপশালী রাষ্ট্রপতি একজন নারীর যৌক্তিক বক্তব্য মেনে নিলেন ৷ তিনি এ সিদ্ধান্ত আর নেন নি ৷

উধিকন্তু “বোনটি সঠিক বলেছে ওমর ভুল করেছিল” বলে নারীর বাকস্বাধীনতা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার উদারনৈতিক স্বীকৃতি দিয়েছিলেন৷

পর্দা প্রসঙ্গ : পর্দা নারীকে অবরোধবাসিনী নয়; বরং ব্যক্তিত্ববান, অভিজাত ও সম্মানিতা করে৷ পর্দা বিধানে বরং নারীর বহিরাঙ্গনে যাওয়ার একটি সয়ংক্রিয় প্রচ্ছন্ন অনুমোদন পাওয়া যায়৷ তা হল নিজ কক্ষে কোনো নারী হিজাবাবৃতা হয়ে বসে থাকে না৷ বের হওয়ার প্রয়োজনেই মহিলাগণ হিজাব পরেন ৷ পশ্চিমা উলঙ্গ সংস্কৃতিতেও অধুনা নারীদের কাছে ফ্যাশন হিসেবে হিজাব এখন সমাদৃত হচ্ছে ৷

কিছু ক্ষেত্রে ইসলাম নারীর জন্য স্বতন্ত্র দায়িত্ব ও পরিসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে ঠিকই৷ সেগুলো ন্যাচারাল সায়েন্সের দৃষ্টিকোণে, সমাজবিজ্ঞানের নিরিখে, মনোবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞানসম্মতভাবে যথাযথ ও প্রগতিশীল৷ ইসলাম যেটুকু সীমারেখা প্রদান করেছে তা নারীকে ভোগবাদীদের পাবলিক প্রপার্টি হতে সেফটি দেয়ার লক্ষেই করেছে৷

লিঙ্গ বৈষম্য ও নারীবাদ : লিঙ্গ বৈষম্যের পশ্চিমা ধারণার স্থান ইসলামে নেই৷ নারীবাদ নামে ভিন্ন কোনো টার্মের আলোচনা ইসলামে নিতান্তই নিষ্প্রয়োজন৷ যেহেতু পারিবারিক, সামাজিক মর্যাদায় ইসলাম নারীকে মহিমান্বিত করে রেখেছে রাত্রিদিন৷ অর্থনৈতিক নিরাপত্ত্বাবেষ্টনীতে নারীকে করেছে সম্পদশালী ৷

ইসলামি সমাজ ব্যবস্থায় নারীর দরিদ্র থাকার, অনাহারে ও অভাবে থাকার কোন সিস্টেমই নেই ৷ ইসলাম প্রথমত নারীকে মোহরের অধিকারী করেছে ৷ দ্বিতীয়ত:  সংসারিক আর্থিক ব্যয় নির্বাহ থেকে নারীকে নিষ্কৃতি দিয়েছে ৷ এমনকি নারীর নিজের দায়িত্বও তার নিজের নয় ৷

নানা পর্যায়ে পিতা, ভাই, স্বামী, সন্তানের কাঁধে নারী মৌলিক চাহিদা পূরণের ভার দিয়েছে ৷ কাজেই নিঃসন্দেহে ইসলামই প্রকৃতপক্ষে নারী ক্ষমতায়নের প্রায়োগিক ও বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বন করেছে ৷

তথাকথিত নারীবাদ এবং কর্পোরেট দুনিয়া নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গবৈষম্য নিরোধ ,  তারকা খ্যাতির আড়ালে  তরুণীদের  পণ্যের ন্যায় বাজারজাত করতে চায় ৷ আলো আধারীর নৃত্যমঞ্চে নর্তকির পোশাক পরিয়ে ষোড়শীর উতলা যৌবন নিয়ে পৈশাচিক ফূর্তিতে মদমত্ততা তাদের চূড়ান্ত লক্ষ ৷

নারীর অন্তর্জাগতিক গুনাবলির মূল্যায়ণ না করে তার শরীর ও দৈহিক সৌন্দর্যকে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করতে চায় একশ্রেণির পুঁজিপতি সিন্ডিকেট ৷

কাজেই মুহতারামা নারী মহলের উচিৎ, প্রোপাগান্ডায় কান না দিয়ে নিজ নিজ অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে ইসলামে নারী প্রসঙ্গে অধ্যয়ন করা ।  আত্মপ্রবঞ্চনা থেকে বাঁচতে এ সময়ের নারীদের আত্মচেতন হওয়ার বিকল্প নেই ৷

শেখ ফজলুল করীম মারুফ বেশি বিশ্লেষণে না গিয়ে একটি উপসংহার টেনেছেন এ বিষয়ে। নারী দিবসে নারী উপলক্ষ্যে এই তরুণ বিশ্লেষকের মতামত হলো :

নারী মনুষ্য প্রজাতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইসলাম নারীকে পুরুষের সাথে এতটাই একাত্ম করে বিবেচনা করেছে যে, আলাদা করে নারী উন্নয়ন বা নারী মুক্তির আলোচনা ইসলাম করে নাই বরং মানব জাতির উন্নয়ন ও মানবতা মুক্তির মধ্যেই এটাকে মিশ্রিত করেছে। মহামতি কার্ল মার্ক্সও আলাদা করে নারী মুক্তি নিয়ে আলোচনা করে নাই।

আলাদা করে নারীবাদ নিয়ে আলোচনা করা পশ্চিমা আধিপত্যবাদী জ্ঞানতত্ত্বের অংশ। পশ্চিমারা নারীকে আগে নিষ্পেষিত করেছে তারপরে উদ্ধারের নামে পণ্যায়িত করেছে এবং সর্বশেষ নারী ও নারীবাদকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

নারী দিবসও পশ্চিমাদের সেই জ্ঞানতত্ত্বীয় সাম্রাজ্যবাদী কার্যক্রমেরই একটি অংশ। সেই হিসেবে নারী দিবস নিয়ে আলোচনা করার কিছু নাই। আমরা নারীকে নারী হিসেবে কখনোই বিবেচনা করি না।

তাদের কেউ আমার মা। যার পায়ের নিচে আমার জান্নাত। যার সন্তুষ্টির জন্য আমি আমার জীবন বাজি রাখি। তাদের কেউ আমার বোন বা ভাগ্নি। যার অস্তিত্ব আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময়তার কারণ। যার স্নেহ এবং যার প্রতি আমার স্নেহ আমাকে স্বর্গীয় অনুভূতি দেয়। তাদের কেউ আমার স্ত্রী। যিনি আমার অর্ধাঙ্গি।

তাদের কেউ আমার খালা, ফুফু, মামি, চাচি বা ভাবি। তাদের অস্তিস্ত আমার জীবনকে অর্থবহ করে।

আর তাদের সবাই সম্মিলিতভাবে আমার মর্যাদার অংশ। যাদের কেউ সন্মানহানীর শিকার হলে আমি যুদ্ধ পর্যন্ত করতে রাজি আছি। তারা আমার দ্বারা সুরক্ষিত আমিও তাদের দ্বারা সুরক্ষিত। আমি তাদের ওপরে নির্ভরশীল তারাও আমার ওপরে নির্ভরশীল। আমি কখনো তাদেরকে “তারা” (Others)বলে ভাবতে শিখিনি। বরং আমরা “আমরাবোধ” (we-feelingness ) নিয়েই বড় হয়েছি। আমার আর আমার বোনের স্বার্থ নিয়েই “আমার স্বার্থ” বিবেচনা করেছি। এভাবেই আমাদের নারীদের স্বার্থকে আমরা কখনোই আলাদা বলেই ভাবতে পারিনি। সাংঘর্ষিক ভাবা তো দুরের কথা।

অথচ পশ্চিমারা নারী অধিকার বলে পুরুষের অধিকার আর নারীর অধিকারকে প্রথম আলাদা করছে পরে উভয় অধিকারের মাঝে সংঘর্ষ তৈরি করছে। আমরা মুসলমানেরা বিষয়টা অনেকদিন বুঝেই উঠতে পারিনি। আমার ডান হাত আর বাম হাতের আলাদা করে কোন স্বার্থ হয় কি? ডান চোখের স্বার্থ আর বাম চোখের স্বার্থের মাঝে সংঘর্ষ কল্পনা করা যতটা কঠিন তেমনি আমাদের প্রাচ্য সমাজে নারী আর পুরুষ স্বার্থের মাঝে সংঘর্ষ কল্পনা করা কঠিন ছিলো।

এতোদিনে এসে পশ্চিমাদের এইসব অপচেষ্টার প্রভাব আমাদের সমাজে পড়েছে। ফলে আমাদের সমাজের অভ্যন্তরে নানা অশান্তি তৈরি হচ্ছে। সেই অশান্তিগুলো দুর করতে আমাদেরকে ইসলামের মর্ম বুঝতে হবে এবং মান্য করতে হবে। এবং এ কথা বলতে হবে হিজাব আমাদের স্বাতন্ত্র্যবোধের প্রতীক।

নারী দিবস ও নারী বিষয়ক আরও কিছু লেখা পড়ুন :

জাপানি নারীর মন্তব্য ; পর্দার প্রতি নারীদের আগ্রহ ইসলামী পুনর্জাগরণের অংশ

নারীরা অধিকার চাইতে পারে, সমানাধিকার নয়!

আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আমরা নারীরা নিজেরাই নিজেদের ছোট করে ফেলছি

জিয়াউল হক-এর অন্য লেখা পড়ুন

ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ আল কারযাভী : ইসলামী পুনর্জাগরণে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি 

মন্তব্য করুন