দুই বছরের মধ্যে নগরবাড়ীতে নৌবন্দর চালু হবে: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৩৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

পাবনা প্রতিনিধি: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার কথায় নয়, কাজে এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে নৌ, স্থল এবং আকাশপথসহ সব ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে নগরবাড়ীতে নৌবন্দর নির্মাণকাজ শুরু হলো।

আগামী দুই বছরের মধ্যে আনুষাঙ্গিক সুবিধাদিসহ নৌবন্দরটি চালু হবে উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, বন্দরটি চালু হলে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের সকল জেলার মানুষ জীবনমানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। উত্তরবরেঙ্গর ১৬ জেলার সিংহদ্বার ছিল যে নগরবাড়ি ঘাট, সেখানে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাবনার নগরবাড়ীতে আনুষাঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণকাজের উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী।

উদ্বোধন শেষে মোনাজাতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী

বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কবীর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহীন, শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম সহ বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, আরিচা নদী বন্দরের আওতায় ১৯৮৩ সালে নগরবাড়ী বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এটিকে পুর্ণাঙ্গ নদীবনন্দরে রুপ দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর উদ্যোগে ৫১৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রয়োজনীয় আনুষাঙ্গিক সুবিধাদিসহ এই নদীবন্দর নির্মাণ হচ্ছে। ২০২১ সালের ৩০ জুন এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সুত্র জানায়, নগরবাড়ী ঘাট একটি ঐতিহ্যবাহী ঘাট। দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মালামাল বিতরণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এটি। এ ঘাটে মূলত সার, সিমেন্ট, পাথর, বালু, কয়লা, খাদ্য সামগ্রী এবং অন্যান্য বাল্ক (খোলা) সামগ্রী ওঠানামা হয়ে থাকে। নগরবাড়ী ঘাটে কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাদি না থাকায় নগরবাড়ী এলাকায় আধুনিক বন্দর অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মূল কাজগুলো হলো-ভূমি উন্নয়ন, ড্রেজিং, পাকা জেটি, তীর রক্ষা বাঁধ, সংযোগ সড়ক, স্টিল গ্যাংওয়ে, পন্টুন, কাটাতারসহ সীমানা প্রাচীর, যাত্রী ছাউনি, পাকা সিঁড়ি, গুদাম, উন্মুক্ত মজুদ স্থান, বন্দর ভবন, প্রশাসনিক ভবন, পরিদর্শন বাংলো, ডরমিটরি ও পাইলট হাউজ নির্মাণ।

/এসএস

মন্তব্য করুন