ডেন্টাল কলেজে সামাজিক সংগঠনের আড়ালে অপতৎপরতা ও মানহানির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৪:২৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০

গত ০৯.০২.২০২০ তারিখ, রোববার মগবাজারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ডেন্টাল কলেজে ২৩ ব্যাচের অনিক, হিমেল ও হৃদয় এবং ২১ ব্যাচের ফারহান ও ফাহিম মিলে নতুন ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের র‍্যাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ২০,২২ ও ২৪ ব্যাচের সাথে অশোভন আচরন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কলেজের ২৩তম ব্যাচের অনিক, হিমেল, ইমন ও ১৮ ব্যাচের নিবিরের আদেশে বহিরাগত পিকেটারদের দিয়ে সাধারন শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে জানা যায়।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য মতে, ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বিল্ড-আপ এওয়ারনেস এর প্রতিষ্ঠাতা সামছুর রহমান নিবিরকে কেন্দ্র করে। জানা যায়, নিবির বর্তমানে কলেজ বহিরাগত থাকলেও তার অরগানাইজেশানের কর্মী সংখ্যা বাড়াতে এইসব দলীয় কোন্দল চালিয়েই যাচ্ছে। যদিও গত বছরেই এমন কর্মকান্ডের জন্য বিল্ডআপ এওয়ারনেসকে কলেজ তাদের কার্যক্রম পরিচালনার উপর সম্পূর্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

পরবর্তীতে, ব্যাপারটিকে ধামাচাপা দিতে নিবিরের আদেশক্রমে বিল্ড আপ এওয়ারনেস এর ১৯ ব্যাচের ইসরাত জাহান রিকি, ১৮ ব্যাচের মরিয়ম জান্নাত ময়না ও ২০ ব্যাচের প্রীতি দাস, ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে শ্লীলনতা হানীর মিথ্যা অভিযোগ এনে রমনা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী দায়ের করে। পরবর্তীতে সি.সি ক্যামেরা ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনার কোন সত্যতা পায়নি পুলিশ।

শিক্ষার্থীরা মিথ্যা অভিযোগের ব্যাপারটি কলেজ কর্তৃপক্ষের উপর ছেড়ে দিয়ে, বিচারের দাবী জানায়।

কলেজ তদন্ত কমিটির প্রধান থেকে জানা যায় তারা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট প্রকাশ করেন নি। তারা ব্যাপারটি নিয়ে আরো তদন্ত করবেন বলে জানিয়েছেন।

সাধারন শিক্ষার্থীরা জানায়, ১৮ ব্যাচের নিবিরের ইন্টার্নিশিপ শেষ হলেও তিনি প্রতিনিয়ত কলেজে আসেন এবং স্টুডেন্টদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার অরগানাইজেশান এর মেম্বার বানাচ্ছেন।

তারা আরো বলেন নিবির প্রতিবছর তাদের কর্মীদের মাধ্যমে কলেজে অপ্রীতিকর পরিবেশ তৈরী করে যাচ্ছেন এবং বহিরাগত পিকেটার ও অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মীদের কলেজে আনাগোনার ফলে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে কলেজে পড়াশুনার পরিবেশ ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে শিক্ষার্থীদের দাবি।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, বিল্ড-আপ এওয়ারনেস শিবির প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠন এবং কমিটির প্রধান নিবির দীর্ঘদিন সুনামগঞ্জ এমসি কলেজে শিবিরের এজেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন, পরবর্তীতে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে। প্রতিবছর তারা ক্যারিয়ার কার্নিভাল ও ডেন্টাল ক্যাম্পের নামে বিশাল অংকের ডোনেশন হাতিয়ে নিচ্ছে দেশী, বিদেশী সংস্থা থেকে।

মন্তব্য করুন