বসন্ত এসেছে জবির ম্যানেজমেন্টে

প্রকাশিত: ১০:১২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগ এর বসন্ত বরন উৎসব উদ্বোধনী বক্তব্যে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের সাংস্কৃতিক আয়াজন করা একান্ত জরুরী। আমি মনে করি এর মাধ্যমে আমাদের বাঙালিত্ব আমাদর শাশ্বত জাতিসত্তা ফুটে ওঠবে। এমন প্রোগ্রাম যারা আয়োজন করেছে তাদের যোগ্যতার বিষয়টিও ফুটে উঠেছে। তিনি তার বক্তব্যে ভবিষ্যতে এ আয়োজন টেলিভিশনে লাইভ টেলিকাস্ট করার আশ্বাসও দেন।

‘আসবে বসন্ত ম্যানেজমেন্টে’ প্রতিপাদ্যে জবির ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ‘বসন্তোৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০:৩০ টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল অবধি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এ বসন্তবরণ আয়োজন। বিভাগর সকল ব্যাচর শিক্ষার্থীদর অংশগ্রহনে আয়োজন ছিল পরিপূর্ণ।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম এই উৎসবে মেয়েরাও পাশাকে জড়িয়েছে বসন্তের রঙ। বাসন্তি রঙের শাড়ির সঙ্গে কেউবা খোঁপায় গুঁজেছেন হলুদ গাঁদা কিংবা রজনীগন্ধা। কারো কারো কপালে টিপের সঙ্গে মাথায় ছিল নানা রকমের ফুল জড়ানো টায়রা। ছেলেদের পাঞ্জাবি বা অন্যান্য পোশাকেও ছিল বসন্তের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ রঙের আবহ।

চিরহরিৎ বনে শুকনো পাতার ঝরে পড়া যেন নবনৃত্যকলা। নিরাভরণ শিমুল, পলাশ বনে আগুনঝরা রং। রক্তরঙা আভায় আলোর বিচ্ছুরণ। কেন্দ্রীয় মিলনায়তনকেও সাজানো হয়েছিলো ফাগুনের এক রঙিন আবহে।

বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিকাশ সরকার হ্রিদ্ধ বলেন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের কাছে এ ধরণের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন সবসময় আশা করা হয়। কারণ বাঙালিয়ানা সকল সংস্কৃতিকেই লালন করে এই বিভাগ।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ষড়ঋতুর বাংলাদেশের বৈচিত্র্য বিলুপ্তির পথে, এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাকৃতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন করতে চাই।

বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষর শিক্ষার্থীদের আয়োজন ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। এছাড়াও উক্ত উৎসবে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার ড. কামালউদ্দিন, প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, ব্যবসায় অনুষদর ডিন ড. এ কে এম মনিরুজ্জামান, রজিস্ট্রার ড. ওহিদুজ্জামান ও বিভাগের চেয়ারম্যান ড. গোলাম মোস্তফাসহ বিভাগর অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।

/এসএস

মন্তব্য করুন