রূপপুর এনপিপি’র প্যাসিভ কোর ফ্লাডিং সিস্টেম নির্মাণে অগ্রগতি

প্রকাশিত: ২:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্যাসিভ কোর ফ্লাডিং সিস্টেমের হাইড্রো একুম্যুলেটরগুলোর প্রথম বডি-পার্টস সমূহ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের মেশিন প্রস্তুতকারী ডিভিশন এটমএনার্গোমাসের এমটি প্রতিষ্ঠান এইএম-টেকনোলজির পেত্রাজাভোদস্ক শাখায় এগুলোর নির্মাণ কাজ চলছে।

রসাটম এর বাংলাদেশের জনসংযোগ এজেন্সী ‘ট্রিউন গ্রæপ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ফরহাদ কামাল বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যাবস্থায় প্যাসিভ কোর ফ্লাডিং সিস্টেম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রিয়্যাক্টরের প্রাইমারী সার্কিটে কোনও বড় ধরণের কুল্যান্ট দূর্ঘটনা ঘটলে তাপ অপসারণের কাজে এটির ভূমিকা রয়েছে।

এই সিস্টেমটিতে পরু দেয়ালযুক্ত ৮টি হাইড্রো একুম্যুলেটর থাকবে, প্রতিটির ধারণ ক্ষমতা ১২০ কিউবিক মিটার। রিয়্যাক্টর চলাকালীন হাইড্রো একুম্যুলেটরগুলো বোরিক এসিড দ্রবন দিয়ে পূর্ন থাকে এবং এই দ্রবন রিয়্যাক্টর কোরের শীতলীকরণে কাজ করে।

প্রতিটি হাইড্রো একুম্যুলেটরের বডিতে ৩টি শেল বা দেয়াল থাকে, প্রতিটির ওজন ১৫.৫ টন। অন্যান্য যন্ত্রাংশসহ একটি হাইড্রো একুম্যুলেটরের ওজন প্রায় ৭৭ টন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের রিয়্যাক্টর হল এবং টার্বাইন আইল্যান্ডের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করছে এটমএনার্গোমাস। প্রতিষ্ঠানটি রিয়্যাক্টর, বাষ্প জেনারেটর, পাম্প এবং হিট-এক্সচেঞ্জ মেশিনারি প্রস্তুত করে থাকে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিটি ১২০০ মেগা-ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি ইউনিট থাকবে। প্রতিটি ইউনিটে থাকছে সক্রিয় এবং স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বাংলাদেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ায় ডিজাইনকৃত ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হবে।

/এসএস

মন্তব্য করুন