মাওলানা মুজাম্মিল হকের ইন্তেকালে ইসলামী আন্দোলনের শোক ও দোয়া

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২০

দাওয়াত ও তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বী ও কাকরাইলের আহলে শুরা এবং দিল্লীর নিযামুদ্দিনের হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান রহ. এর মনোনীত বাংলাদেশী মুরুব্বী মাওলানা মুজাম্মিল হক গতরাতে ইন্তেকাল করেছেন।

গতকাল শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় মোহাম্মদপুরের রয়েল স্পেলাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম, নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীমসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

পৃথক পৃথক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন দলের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, নগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ও সেক্রেটারী মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, উত্তর সভাপতি ও মেয়রপ্রার্থী মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম।

এছাড়াও তার মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ আলী ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শোয়াইব গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোক বাণীতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মাওলানা মোজাম্মেল হক’র ইন্তেকালে আমরা দেশের একজন মুবাল্লিগে দ্বীন ও বরেণ্য আলেমকে হারালাম। যার অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হবে। মরহুম মোজাম্মেল হক পথহারা মানুষকে পথের দিশা দিতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত এবং দেশ-বিদেশে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে অসামান্য মেহনত করে গেছেন। রব্বুল আলামিন তাঁর সকল মেহনতকে কবুল করে তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং মরহুমের পরিবার-পরিজনকে সবর করার তওফিক দিন, আমীন।

এদিকে মাওলানা মোজাম্মেল হক-এর ইন্তেকালের সংবাদ শোনে আজ বাদ জোহর পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দক্ষিণ মেয়রপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলাান লোকমান হোসাইন জাফরী ও নগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মরহুমের নামাজে জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কক্সবাজার গিয়ে পৌঁছেছেন।

উল্যেখ্য : মাওলানা মুজাম্মিল হক রহ. ছিলেন কাকরাইলের আহলে শুরা এবং দিল্লীর নিযামুদ্দিনের হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান রহ. এর মনোনীত বাংলাদেশী মুরুব্বী। তাবলীগের দু পক্ষের বিবাদমান অবস্থায় তিনি কোন পক্ষেই ছিলেন না বরং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি তাবলীগের সাথেই সংশ্লিষ্ট ছিলেন। অপরদিকে তিনি বাংলাদেশের মুফতীয়ে আজম মুফতী ফয়জুল্লাহ রহ. এর খলিফা ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি ছিলেন চরমোনাইর মরহুম পীর সাহেব সৈয়দ ফজলুল করীম রহ. এর বেয়াই। তাঁর মেয়ের সাথে ফজলুল করীম রহ. এর ষষ্ট সন্তান মুফতী সৈয়দ এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়েরের বিয়ে হয়েছে।

মন্তব্য করুন