সিটি নির্বাচনের সব তথ্য প্রকাশের দাবি জানালো তাবিথ

প্রকাশিত: ৪:১২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সব তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গুলশান-১ এর ইমানুয়েলস কনভেনশন সেন্টারে দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে দুই সিটির বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

তাবিথ আউয়াল বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে, তা আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আজ প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা দাবি করছি, সব কার্যক্রম বন্ধ রেখে নির্বাচন কমিশন ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট সি থেকে শুরু করে রেজাল্ট শিটসহ সব তথ্য জনগণের সামনে এবং যারা প্রার্থী ছিলাম তাদের সামনে প্রকাশ করবে।

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অনিয়ম, দখলদারিত্ব, হামলা, হয়রানিসহ নানান অভিযোগ জাতির সামনে তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বিএনপি মনোনীত দুই মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন ও তাবিথ আউয়াল।

তিনি বলেন, এ নির্বাচন শুরুই হয়েছে ব্যাপক পরিকল্পিত হামলার মধ্য দিয়ে। এতে সংবাদ কর্মীরা আহত হয়েছেন। আর আমাদের পোলিং এজেন্ট যথা সময়ে কেন্দ্রে গেলেও তাদের বাইরে বের করে দিয়ে পেটানো হয়েছে। যাদের অনেকে এখনো হাসপাতালে আছেন। এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, পুলিশকে জোরালো তাগিদ দিচ্ছি, যেন সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ভোটার উপস্থিতি কম থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই আওয়ামী লীগের নেতারা হুমকি দিচ্ছিলেন যে তাদের গুন্ডাবাহিনীগুলো পেশীশক্তি দিয়ে কেন্দ্র দখল করবে। নির্বাচনের দিন শুরুতে সব কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার গুণ্ডা ও কর্মী অবস্থান করে গেট বন্ধ রাখে। ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যে কারণে বেশিরভাগ ভোটার কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি। তাদের বড় ভয় ছিল ভোটার। কারণ ভোটাররা ছিলেন তাদের বিপক্ষে।

তাবিথ আউয়াল আরও বলেন, বলা হয়েছিল, ইভিএমে অত্যন্ত দ্রুত, চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে রেজাল্ট দেওয়া হবে। তার মানে রাত ৯টার মধ্যে সব রেজাল্ট প্রকাশ করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম, রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ভোর ৪টা পর্যন্ত।

এরপরও আমরা শুধু মৌখিক রেজাল্ট পেয়েছি। লিখিত কোনো রেজাল্ট পাইনি। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। আমরা মনে করি, এখানে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং চুরি করা হয়েছে, অনেক ভোট বদলানো হয়েছে। সে কারণে ভোর ৪টা পর্যন্ত তাদের সময় লেগেছে।

বলা হয়েছিল, কন্ট্রোল ইউনিটের প্রিন্ট দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা এখনো তা পাইনি। অপেক্ষায় আছি। আদৌ পাবো কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে, যোগ করেন তাবিথ।

আই.এ/

মন্তব্য করুন