ক্ষুদ্র ঋণ দারিদ্র্য বিমোচন নয় দারিদ্র্য লালন করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১:০৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচনের পরিবর্তে দারিদ্র্য লালন করে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে অনেকেই বাহবা কুড়াতে চেয়েছিলেন৷ ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে কেউ কেউ বিশ্বব্যাপি সুনামও করেছিলো। কিন্তু সেটি শুধু ছিলো ব্যাক্তিগত অর্জন। মূলত, ক্ষুদ্র ঋণ দারিদ্র্য বিমোচন নয়, দারিদ্র্য লালন-পালন করে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলা-২০১৯ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একসময় আমরাও এটাকে সমর্থন করেছিলাম। ভেবেছিলাম এর ফলে মানুষ দারিদ্রসীমার ওপরে উঠতে পারবে। কিন্তু বিষয়টা যখন আরো গভীরভাবে দেখলাম; মূলত, ক্ষুদ্র ঋণ দারিদ্র্য বিমোচন নয়, দারিদ্র্য লালন-পালন করে।

কিন্তু কেউ ‍কেউ ক্ষু্দ্র ঋণের প্রবক্তা সেজে বিশ্বব্যাপী নামডাক কামিয়েছেন কিন্তু এতে মানুষের কল্যাণ হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ লাভবান হলেও দেশের মানুষ ততটা সুফল পায়নি।

তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিআরডিবির মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ চালু করেন উল্লেখ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিভাবে সমবায়ের মাধ্যমে উৎপাদন করে, উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করে দারিদ্র বিমোচণ করা যায় সেই লক্ষ্যে এ প্রকল্প চালু করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন আমরা- বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বিনামুল্যে খাদ্য বিতরণ, কৃষি উপকেরণ সহজলভ্য করা, ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা, বিনা জামানতে বর্গা চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ দান প্রকল্প চালু করি। ৯৮ সাল থেকে আমরা এটা চালু করি। এর আগে মহাজনদের থেকে তাদের ঋণ নিতে হতো।

প্রধনামন্ত্রী বলেন, গ্রামে সপ্তাহে দুইদিন হাট বসে। আমি নির্দেশ দিয়েছি কৃষি ব্যাংক কৃষকের দোরগোড়ায় গ্রামে নিয়ে যেতে। হাটের দিন বাজারে গিয়ে কৃষকদের ঋণ দেয়া এবং উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছি। এভাবে কৃষকদের সহযোগিতা করেছি।

/এসএস

মন্তব্য করুন