দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ; উদ্ধার কাজে র‌্যাব-পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস

প্রকাশিত: ১২:৫৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষের পর উদ্ধার কাজে নেমেছে র‌্যাব-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা। স্থানীয় জনগণও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও দেখা যাচ্ছে উদ্ধার কাজে হাত বাড়িয়ে দিতে।

এ সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জন হয়েছে। এই সংখ্যা আর বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ জন।

সোমবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তুর্ণা নিশীথা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে আর উদয়ন এক্সপ্রেস সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুদ উল আলম দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকাল পৌনে আটটার দিকে জানা গেছে, সিগন্যাল না মানায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে সোমবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে ইউএনও মাসুদ উল আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ৯টি লাশ রয়েছে, এরমধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও চার জন নারী। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত ২৮ জন ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে দদু’জন মারা গেছেন। এছাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে দুজন মারা গেছেন।

তিনি আরও গণমাধ্যমকে আরও জানান, কুমিল্লায় ৯ জন ভর্তি আছেন, এদের একজন মারা গেছেন, তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। উদ্ধার কাজ চলছে। আমরা কন্ট্রোল রুমও খুলেছি। স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন, প্রায় ১০০ লোক আহত হতে পারেন।’

এদিকে, আমাদের কুমিল্লা প্রতিনিধি মাসুদ আলম জানিয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হেল্প ডেস্কের দায়িত্বরত ফায়ারম্যান বরকতুল্লা বলেছেন, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এদিকে, দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

কসবার সীমান্তবর্তী উপজেলা কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার এসিল্যান্ড জাফর সাদিক চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাত সাড়ে তিনটায় কুমিল্লার ডিসির ফোন পেয়ে তিনি মেডিক্যাল টিমসহ ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছেন।’

আই.এ/

মন্তব্য করুন