কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবরি মসজিদ মামলার রায়, দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা

প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৯, ২০১৯

অপেক্ষার অবসান! শনিবার সকালেই বহু প্রতিক্ষীত অযোধ্য মামলা রায় ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট।৫ প্রধান মামলাকারীকে এজলাসে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়ছে আদালাত। নজিরবিহীন এই রায়ের আগে নিরাপত্তার খুঁটিনাটি জানতে পুলিশের শীর্ষকর্তাদের তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।

সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ এই রায় দেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনে উপর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেবে৷ হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল ২,৭৭ একর বিতর্কিত জমিতে নীলমনি আখড়া, উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড এবং রামলানা বিরাজমান মধ্যে তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়া।

এদিন অবশ্য দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ উত্তর প্রদেশের মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজি সঙ্গে বৈঠক করেন এবং জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক স্ফুলিঙ্গ ধরা এই ইস্যুটির উপর রায়দান গত ১৬ অক্টোবর থেকে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে, তার আগে ৪০ দিন ধরে দীর্ঘ শুনানি চলেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে৷ যাতে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি অশোক ভূষণএবং বিচারপতি এস আব্দুল ৷

শুনানির পরে সুপ্রিম কোর্ট আলোচনার জন্য একটি বিশেষ দল নিয়োগ করেছে তারা কোনপক্ষের “দ্বারা সম্মত একটি “বন্দোবস্ত” এর সংক্ষিপ্তসার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে জমা করেছে। লখনউ ভিত্তিক ইউপি সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড মত দিয়েছে, তাদের কোনও আপত্তি থাকবে না যদি ওই জমি যার উপর বাবরি মসজিদ অবস্থিত তা কেন্দ্র অধিগ্রহণ করে।

সামাজিক সম্প্রীতির জন্য এএসআই-এর মসজিদ খুলে দেওয়া হবে নমাজ পড়ার জন্য। পাশাপাশি অযোধ্যার অন্যান্য মসজিদ সারিয়ে দেবে কেন্দ্র এবং সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের একটি বিকল্প মসজিদ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে অযোধ্যায় আইন শৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্য। পাশাপাশি অযোধ্যা জেলা প্রশাসন জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে সতর্ক থাকতে এবং কোনও রকম পোস্ট সোশাল মিডিয়ায় না-দিতে, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়।

ইসমাঈল আযহার/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন