ববি’র উপাচার্য হিসেবে যোগ দিলেন অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন

প্রকাশিত: ১০:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৯

সাব্বির আহমেদ,ববি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ববিতে যোগদান করেন।

সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত হওয়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা খুব দ্রুতই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান পূর্বক সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষা ইউজিসির সাথে সমন্বয় করে নেওয়া হয়। সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পর পর ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে। শুক্র-শনিবারও ফাঁকা নেই। এবিষয়ে আলোচনা করে খুব শীর্ঘই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং কো- কারিকুলাম কর্মকান্ডের মাধ্যমে আগামী চার বছরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি এসেছেন । তিনি তাঁর অভিষ্ট লক্ষ্য পূরণে সকলের সার্বিক সহায়তা কামনা করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর আয়োজন না থাকায় সাংবা‌দিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, আগামী ৪ বছর ভালো কাজ করার ফল স্বরূপ বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য় প্রশাসন ও ব‌রিশালবাসী খু‌শি হয়ে বিদায় বেলায় যে ফুল দেবেন তা ভালোবাসা হিসেবে গ্রহণ করবো। এখন ফুলের প্রয়োজন নেই।

এসময় তিনি সেশন জট নিরসন, শূন্যপদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের কো-কারিকুলাম কার্যক্রমের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে, প্রফেসর ড. ছাদেকুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগে অধ্যাপনাসহ একাধিক দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ২০১৩ সাল থেকে রাবির ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে, ২০১৪ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, ২০১৩ সাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব ছাড়াও একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সদস্য, ২০০৪ সালে কোষাধ্যক্ষ এবং ২১১ সালে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হোন। ২০০৪ সালে রাবি শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ও ২০১১ সালে সাধারণ সম্পাদক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি, ১৯৯৮ সালে রাবির নির্বাচিত একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সালে রাবির সহকারী প্রক্ট্রর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই শিক্ষকের বর্তমানে ১৮টি প্রকাশনাসহ একটি বই রযে়ছে এবং তাঁর তত্ত্ববধানে ৪ জন শিক্ষার্থী পিএচইডি ডিগ্রী গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনজন শিক্ষার্থীর পিএচইডি ডিগ্রীর সুপারভাইজারের দায়িত্বে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, তিনি ১৯৮৪ সালে রাবির সমাজকর্ম বিভাগ থেকে অনার্স এবং ১৯৮৫ সালে মাস্টার্স পাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালযে়র গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ থেকে ১৯৯৩ সালে এমফিল ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রী গ্রহণ করেন।

আই.এ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন