এমসিসি বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন সাকিব

প্রকাশিত: ১২:৫৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৯

জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন করায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব। এমন ঘটনার পর পরই এমসিসি বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আইসিসি তাকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিলেও এরমধ্যে আছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।

ভুল স্বীকার করায় তাকে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের তিনটি ধারা ভেঙেছেন তিনি। ২০১৭ সালে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) তাদের বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়েছিল সাকিব আল হাসানকে।

ক্রিকেটের প্রচলিত নিয়ম-নীতির রক্ষাকারী এই সংস্থাটি সাধারণত সাবেক ও বর্তমান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের দ্বারা পরিচালিত। ক্রিকেটের বিভিন্ন ইস্যু সমাধানে ভূমিকা রাখে সংস্থাটি।

এমসিসি অবশ্য সাকিবের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এর চেয়ারম্যান মাইক গেটিং জানান, ‘কমিটি থেকে সাকিবকে হারানো সত্যিই দুঃখজনক। কারণ গত কয়েক বছরে তার অসাধারণ ভূমিকা ছিল। ক্রিকেটের অভিভাবক হিসেবে আমরা তার এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। মনে করি এটা তার সঠিক সিদ্ধান্ত।’

এদিকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য আইসিসিকে না দেওয়ায় বড় শাস্তি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা দুই বছর নিষিদ্ধ করেছেন তাকে। এরমধ্যে আছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। শাস্তি মেনে নেওয়া সাকিব ভীষণ অনুতপ্ত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইসিসিতে দেওয়া বিৃবতিতে।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুযায়ী, জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক কোনও প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। এ ব্যাপারে প্রতিটি সিরিজ ও টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নেওয়া হয়। এরপরও কেউ জুয়াড়িদের প্রস্তাবের কথা না জানালে গুরুতর অপরাধ হিসেবে সেটা গণ্য হবে। শাস্তিও তাই গুরুতর। আইসিসির এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি হতে পারে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা।

 আই.এ/

মন্তব্য করুন