বালিশ কাণ্ডে দুদক নিরব কেন প্রশ্ন সুমনের: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন দুদকের

প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

দীর্ঘদিন পার হলেও অবশেষে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বালিশকাণ্ডের দুর্নীতির ঘটনা অনুসন্ধানে নামছে দুর্নীতি দমন কমিন (দুদক)।  আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুদকের উপপরিচালক নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যম কর্মীদেরকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

এর আগে দুদকের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এই ঘটনায় আদলাতে দায়ের করা মামলার বাদী বিশিষ্ট আইনজীবি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে দুদকের চুপ থাক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘যেখানে গণপূর্ত বিভাগ তাদের ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে; তাহলে আর কত প্রমাণ হলে দুদক এগিয়ে আসবে। এতো কিছুর পরেও কি দুদুকের ঘুম ভাঙবে না?’।

পড়ুন….
বালিশ দুর্নীতি নিয়ে ‘দুদক’ নীরব কেন প্রশ্ন ব্যারিস্টার সুমনের

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যারিস্টার সুমন সাংবাদিকদের সাথে আলাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেন। এরপরই বৃহস্পতিবার বিকেলে তদন্ত কমিটি গঠন করলো দুদক।

প্রসঙ্গত, রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের বিছানা-বালিশসহ আবসাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এ নিয়ে গত ১৯ মে হাইকোর্টে রিট মামলা করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

পরে আদালতের নির্দেশে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ দুটি কমিটির তদন্তেই ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। হাইকোর্টের নির্দেশে আদালতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে ৩০জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) আদালতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

/এসএস

মন্তব্য করুন