সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে খুবি হল ও ক্লাসরুম

প্রকাশিত: ১১:৩৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

খুবি প্রতিনিধি: সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও হলরুম। খুবি প্রশাসনের বৈঠকে ক্লাস  রুম ও বিভিন্ন হলরুম সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনার এ সিদ্ধান্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুম, করিডোর, হলসহ ক্যাম্পাসের সকল স্থান সিসি ক্যামেরা নেটওয়ার্কের আওতায় আনার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অবহিত করা হয়। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরাজমান সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সুসংহত রাখা এবং নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীসহ সকল শিক্ষার্থীর ব্যাপারে ক্লোজ মনিটরিং করা, শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানা এবং সে বিষয়ে সমাধানের প্রচেষ্টা করাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নতুন শিক্ষার্থীরা যেহেতু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নতুন পরিবেশের মধ্যে পড়ে- তাই তাদের বিষয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীসহ সবাইকে আন্তরিক ও মানবিক আচরণের উপর জোর দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সর্বোত্তম শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে পরিণত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য উপাচার্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বহুমত লালন, শিষ্টাচার শেখারও অন্যতম স্থান। দক্ষ জনশক্তি তথা সুনাগরিক গড়ে তোলার জায়গা। এখানে কেনো একজন শিক্ষার্থী আরেকজনের শিক্ষার্থীর উপর অমানবিক আচরণ করবে। এটা ভাবাও যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জীবন হতে হবে সুস্থ ও স্বাভাবিক, আনন্দ ও স্মৃতিময়, তা না হলে সৃজনশীল চিন্তা আসবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষক মন্ডলীসহ সবাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি কোয়ালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে চাই’।

সভায় আগামী জানুয়ারিতে নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদেরকে ক্যাম্পাসে উষ্ণ অভ্যর্থনার সাথে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের সমস্যাবলীসহ অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের দপ্তর এবং আবাসিক হল প্রশাসন সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যে সব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করবে তাদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ও সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভায় ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, সিইটিএল, আইকিউএসি, বিভিন্ন সেন্টার ও সেলের পরিচালকসহ বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং অনেকেই আলোচনায় অংশ নেন।

/এসএস

মন্তব্য করুন