আবরারের রুমের অধিকাংশই মদ্যপ: দাবি ছাত্রলীগের

প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আসিফ তালুকদার বলেন, তারা আবরারের মোবাইল ও ল্যাপটপ চেক করেছিলো এবং ওই রুমে যারা ছিলেন তাদের অধিকাংশই মধ্যপ অবস্থায় ছিলেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ বলেন, রাত ৮/ সাড়ে ৮টা থেকে রাত ২টা অব্দি একজন ছাত্রকে যদি যে কেউ নির্যাতন করে থাকে, তবে সেটা দেখভালের দায়িত্ব প্রাধ্যক্ষের। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে তাদের কেন উদ্ধার করলেন না তিনি? এই দায়ভার প্রাধ্যক্ষ এড়াতে পারেন না।

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যার পরই গ্রেফতার হন বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জন। বহিস্কার করা হয় ১১ জনকে। ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানান, আবরারের বাবার দায়ের করা মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হলেও প্রাথমিক তদন্তে ১১ জনের বিরুদ্ধে সুষ্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। বহিস্কৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

২০১১ নম্বর কক্ষে রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্যাতন করা হয়। ওই কক্ষের আবাসিক ছাত্র অমিত সাহা। তার বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এলেও সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি।

এ বিষয়ে ইয়াজ আল রিয়াদ বলেন, অমিত ঘটনার সময় রুমে উপস্থিত ছিলেন না। কারণ পূজো উপলক্ষ্যে তিনি বাসায় চলে গেছেন। আবরারের বাবা ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, সেই তালিকাতেও অমিত সাহার নাম নেই।

গত রবিবার রাত ২টার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ি ঘর থেকে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই হলের শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবরারকে কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায়। পরে, রাত ২টার দিকে হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

আই.এ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন