এবার পাকিস্তানকে পারমাণবিক হামলার হুমকি ভারতের

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৯

৩৭০ ধারা জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেয়ার পর থেকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছে পাকিস্তান।সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি ৩৭০ ধারা বিলোপর নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে কথা তুলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভারত যুদ্ধ করতে চাইলে তাদের কাছে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা থাকবে না।’

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে আরিফ বলেন, ‘সমগ্র দেশ দেখছে পাকিস্তান কাশ্মীরবাসীর সঙ্গে রয়েছে এবং সবসময় তাদের সঙ্গে থাকতে প্রস্তুত৷ কাশ্মীরবাসীকে সাহায্য থেকে তারা পিছু হটবেন না৷’

দুই দেশে উত্তেজনার মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে ৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জনই ভারতের।

স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উসকিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে আজ শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’ অর্থাৎ, ভারত কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে পরিস্থিতি বুঝে আগে হামলা চালাতেও পারে।

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

জম্মু-কাশ্মীরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের পর একের পর এক উসকানিমূলক মন্তব্য করতে দেখা গেছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। নয়াদিল্লির সঙ্গে সব রকমের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ইসলামাবাদ।

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে বিশ্ব নেতাদের এগিয়ে আসতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইমরান খানের সরকার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জিআরএস/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন