ঈদযাত্রায় যানজটের ভোগান্তি

প্রকাশিত: ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০১৯

মহাসড়কে যানজটে দুই-আড়াই ঘণ্টার পথ যেতে লাগছে সাত থেকে আট ঘণ্টা, অপরদিকে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাশে এক ট্রেন দুর্ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিলম্বিত হচ্ছে রেল যাত্রা। রেল স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা আর মহাসড়কে ধুঁকতে ধুঁকতে এগোনোর মধ্য দিয়ে শুক্রবার ঘরের পথ ধরেছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের যাত্রীরা।

শুক্রবারে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে সেতুতে উঠার আগে লাইনচ্যুত হয় ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের একটি বগির দুটি চাকা। এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এই পথ দিয়ে ঢাকা থেকে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা অঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।পরে উদ্ধারকারী ট্রেন গিয়ে বগিটি লাইনে তোলার পর বিকাল পৌনে ৫টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় রেল স্টেশন মাস্টার মাসুম আলী খান জানান।

এবার ঈদযাত্রার শুরু থেকেই পশ্চিম রেলের অর্থাৎ রাজশাহী ও রংপুরগামী ট্রেনগুলো দেরিতে ছাড়ছিল। যে ট্রেনটি টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত হয়েছে, সেই সুন্দরবন এক্সপ্রেসের সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু এটি ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট দেরিতে কমলাপুর ছাড়ে। এরপরে ওই দুর্ঘটনার কারণে এই রুটের সব ট্রেনের সূচিই এলোমেলো হয়ে পড়ে, ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয় আরও কয়েক ঘণ্টা। এদিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সারা দিনই ছিল যানজটের ভোগান্তি। গাবতলী থেকে আরিচা যেতে সাত থেকে আট ঘণ্টা লেগে যায় বলে জানিয়েছেন অনেকে।

যানজটের ধকল পোহাতে হয়েছে সড়ক পথে উত্তরবঙ্গের যাত্রীদেরও। ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় পৌঁছাতেই সাত-আট ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। মধ্যরাতেও ওই পথে যানজট দেখা যায়।তবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পথে যানজটের তেমন খবর পাওয়া যায়নি। গত ঈদের আগে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু চালু হওয়ার পর এই পথে যানজটের ভোগান্তি কমার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ঈদযাত্রায় ভোগান্তির কথা স্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও।

আই.এ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন