হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ইসকনকে নিষিদ্ধে প্রবাসী ১০১ আলেমের বিবৃতি

প্রকাশিত: ৭:০৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৯

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত দুটি ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনা ও প্রতিবাদে বাংলাদেশের তৌহিদী জনতা বিক্ষুব্ধ। যার প্রভাব প্রবাসী ওলামায় কেরামের মাঝেও পড়েছে। প্রথমত, চট্রগ্রামে প্রায় ৩০টি স্কুলে কোমলমতি মুসলিম শিশুদেরকে হিন্দু জঙ্গী সংগঠন ইসকনের পক্ষ থেকে হিন্দু ধর্মমতে তাদের দেবতনার নামে উৎসর্গিত প্রসাদ খাওয়ানো এবং তাদেরকে হরে হরে রাম জয়রাম বলানো ৮৮% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়ীক উস্কানি ও ধৃষ্টতার সামিল মনে করেন প্রবাসী ওলামা কেরাম। এটাকে মুসলমানদের ইমানের উপর আক্রমন বলে মনে করেন তারা।

দ্বিতীয়ত হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিকট বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করা যা বাংলাদেশের জনগনকে বিস্মিত করেছে এবং এতে আমরা প্রবাসী ওলামায় কেরাম ও বিস্মিত হয়ছি। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা যেমন নিরাপদে ও শান্তিতে বসবাস করে যাচ্ছে তা সারাবিশ্বে প্রশংসিত। খোদ হিন্দু রাষ্ট্র ভারতে সংখ্যালঘুরা তা কল্পনাও করতে পারছে না। তারপরও এমন জঘন্য মিথ্যাচার ও ষড়যন্র কেন!
আমরা মনে করি এটা নিশ্চিতভাবে দেশদ্রোহিতার শামিল।

প্রবাসী ওলামায় কেরাম মনে করে এটা আন্তর্জাতিক চক্রান্তেরই অংশ। যেটা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ইসকন নামক উগ্র সাম্প্রদায়িক সংগঠন। অতএব আমরা প্রবাসী ওলামায় কেরাম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে জোর দাবী জানাচ্ছি। ইমান ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উগ্রবাদী কট্টর জঙ্গী সংগঠন হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ইসকনের সকল দায়িত্বশীলকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ ও এসব সংগঠনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে এবং এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। এরা আরও বড় কোন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে দেশের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। পরিশেষে, আল্লাহ পাকের দরবারে নিজেদের পরিবার, দেশ ও জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করছি।

১০১ জন প্রবাসী ওলামায় কেরামের পক্ষে
১:- শায়েখ আল্লামা মুফতী মিজানুর রহমান, সৌদিআরব।
২:- মাও. তৈয়ব, সৌদিআরব।
৩:- মুফতী আলতাফুর রহমান গাজী, সৌদিআরব।
৪:- মাও. সৈয়দ হাবিব উল্লাহ বেলালী, সৌদিআরব।
৫:- মাও. তৈয়ব উল্লাহ নাসিম, সৌদিআরব।
৬:- মাও. মোজাম্মেল হক, সৌদিআরব।
৭:- মাও. ওসমান গনী রাসেল, সৌদিআরব।
৮:- মাও. ফয়েজ উল্লাহ, সৌদিআরব।
৯:- মাও. হাফেজ শহীদ উল্লাহ, সৌদিআরব।
১০:- মাও. আমিনুল ইসলাম, সৌদিআরব।
১১:- মাও. মীর আহমাদ মিরু,ওমান।
১২:- মাও. মিজানুর রহমান, ওমান।
১৩:- মাও. সাইফুল ইসলাম, ওমান।
১৪:- মাও. নুরুল্লাহ মিয়াজী, কাতার।
১৫:- মাও.সৈয়দ জামাল উদ্দীন, কুয়েত।
১৬:- মাও. কাজী সফিউল্লাহ, কুয়েত।
১৭:- মাও. আমিরুল ইসলাম, মালয়েশিয়া।
১৮:- মাও. আব্দুল কাইয়ুম ভুঞা, ইটালি।
১৯:- মাও. মাজহারুল ইসলাম, দক্ষীন আফরিকা
২০:- মাও. আব্দুল কুদ্দুস, বাহরাইন।
২১ :- মাও. মিজানুর রহমান, পাকিস্তান।
২২:- মাও. আজিজ উল্লাহ, আরাব আমিরাত।
২৩:- মাও. আবুল কাসেম, আরব আমিরাত।
২৪:- মাও. নজরুল ইসলাম, সৌদিআরব।
২৫:- মাও. রহমত উল্লাহ, ওমান।
২৬:- মাও. শামসুল হক ভুঞা, সৌদি আরব।
২৭:- মাও. নুরুল ইসলাম, সৌদিআরব।
২৮:- মাও. আলিম উল্লাহ, ওমান।
২৯:- মাও. আমিনুল ইসলাম, কুয়েত।
৩০:- মাও. ইব্রাহীম খলিল, সৌদিআরব।

আইএ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন