সংগীত ও সংগীতাঙ্গনেরও সমালোচনা প্রয়োজন, তবে আক্রমণাত্মক নয়

প্রকাশিত: ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০১৯

রাজধানীর দোলাইরপাড়ে ইসলামী সাংস্কতিক সংগঠন ‘স্বপ্নসিঁড়ি সাংস্কৃতিক ফোরাম’ এর উদ্যোগে ইসলামী সংগীত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় দোলাইরপাড় ফেরদৌস সেন্টারে সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বপ্নসিঁড়ির প্রধান উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব এমদাদুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে এর এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইসলামী সাংস্কৃতিক জোটের পৃষ্ঠপোষক, এনটিভি লন্ডন এর উপস্থাপক মাওলানা সালাহ উদ্দীন জাহাঙ্গীর, প্রধান আলোচক ছিলেন দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার সিনিয়র সহকারী সম্পাদক ও মিরপুর দারুর রাশাদ মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা লিয়াকত আলী।

স্বপ্নসিঁড়ির পরিচালক হুমায়ুক কবীর শাবীব এর পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট কবি, গীতিকার ও নজরুল গবেষক মহিউদ্দীন আকবর, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ, ইসলামী সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাসিক নকীবের নির্বাহী সম্পাদক ছড়াকার জিয়াউল আশরাফ, ইসাজ সেক্রেটারি মাওলানা এইচএম সাইফুল ইসলাম, মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ এর পরিচালক মুফতী শামীম আল আরকাম, শীলন বাংলার চেয়ারম্যান মাসউদুল কাদীর, ইনসাফ টোয়েনন্টিফোর সম্পাদক সম্পাদক মাহফুজ খন্দকার, আবৃত্তিকার ও উপস্থাপক ইবরাহীম কোব্বাদী, পাবলিক ভয়েস এর যুগ্ম সম্পাদক শাহনূর শাহীন।

বক্তারা এসময় ইসলামী সংগীতের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় সংগীতের মানোন্নায়, শিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন সংগঠন ও কর্মীদের পারস্পরিক আন্তরিকতা, একতা, শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সতর্কতা অবলম্বন এবং নৈতিকতা উন্নয়ন ও ধরে রাখার ওপর জোরদার করেন। বক্তারা বলেন, নিজেদের কাজের মান এবং চলার পথের বিভিন্ন ভ্রান্তি দূর করতে ও নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সমালোচনার প্রয়োজন আছে। তবে সেটা হতে হবে আত্মসমালোচনা মূলক এবং কখনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেন্দ্রীন বিদ্ধেষপ্রসূত হওয়া যাবে না। নিজেদের সংশোধনের উদ্দেশ্যে সংগীত ও সংগীত নিয়ে যারা কাজ করে তাদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে হবে যাতে বিচ্যুতি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে এবং ফিরতে পারে। বক্তারা বলেন, আক্রমণাত্বক বক্তব্য বিভেদ তৈরি করে এবং পারস্পরিক দূরত্ব সৃষ্টি করে। আত্মউন্নয়নে প্রত্যেক শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীকে লক্ষ্য উদ্দেশ্য ঠিক রেখে আদর্শ চর্চায় মনোনীবেশ করতে হবে। সেই সাথে ইসলামী সংগীতকে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান বাসির, মাওলানা হাবিবুর রহমান, কিব বাংলার পরিচালক কাজী আমিনুল ইসলাম, নেসার আহমাদ (পরিচালক, অনুপ্রাস), মাইনুদ্দিন ওয়াদুদ, (পরিচালক, রংধনু), ওমর ফারুক সাহিল (পরিচালক, ঐস্বীস্বর), মাশরুর তাশফীন (পরিচালক, সুরের তরী), কারামত উল্লাহ মাসুদ (পরিচালক, ঐশীধ্বনী), সাইফুল্লাহ আল খালিদ (পরিচালক, নবচেতনা), জোনায়েদ আহমদ, শাহাদাত হোসাইন প্রমুখ।

/এসএস

মন্তব্য করুন