‘উঠে যাচ্ছে জিপিএ-৫; পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ হবে ৬ মাস আগে‘

পাবলিক পরীক্ষা

প্রকাশিত: ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৯

এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা নেওয়ার ফলে কেন্দ্রগুলোতে বন্ধ থাকে ক্লাসসহ অন্য একাডেমিক কার্যক্রম।


প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে আর থাকছে না জিপিএ-৫ গ্রেডিং পদ্ধতি। পাবলিক পরীক্ষায় এখন থেকে জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে জিপিএ-৪ ধরে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।

দেশের উচ্চ শিক্ষাস্তর ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে শিঘ্রই এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা যায়, গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারণের প্রস্তাবনা তুলে ধরলে শিক্ষামন্ত্রী এতে সমর্থন দেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

প্রস্তাবনায় বলা হয়,  বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি রয়েছে। সর্বোচ্চ গ্রেড সিজিপিএ ৪ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশ করা হয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও গ্রেড সিজিপিএ-৪ নির্ধারিত রয়েছে।

অন্যদিকে প্রাথমিক সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান,  এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড-৫ ধরে ফল নির্ধারণ করা হয়।

ফলে দেশিয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ফলাফল গ্রেডিংয়ে তারতম্য দেখা যায়। এ তারতম্যরোধ করে সামাঞ্জস্য তৈরিতে এসব স্তরেও গ্রেডিং পয়েন্ট সিজিপিএ-৪ নির্ধারণ করা সময়োপযোগী হবে।

এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা নেওয়ার ফলে কেন্দ্রগুলোতে বন্ধ থাকে ক্লাসসহ অন্য একাডেমিক কার্যক্রম। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ছাত্র-ছাত্রীরা।

এ ক্ষেত্রে একটি পরীক্ষার পর অন্য পরীক্ষার বিরতি কমিয়ে আনা হবে। এক পরীক্ষার পর অন্য পরীক্ষার মধ্যকার ছুটি বাতিল করা হবে। এবং পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হবে ৬ মাস আগে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

/এসএস

মন্তব্য করুন