প্রাণ ওয়েলফুডসহ ভেজাল ও নিম্নমানের ৫২টি পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশিত: ২:০২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৯

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি ভেজাল পণ্য দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ের একটি রিট শুনানি শেষে ১২ মে রবিবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

যেসব পণ্য প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে


প্রাণের লাচ্ছা সেমাই
প্রাণ ব্র্যান্ডের কারী পাউডার
প্রাণের হলুদের গুড়া
তীর ব্র্যান্ডের সরিষার তেল
জিবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল
পুষ্টির সরিষার তেল
রূপচান্দার সরিষার তেল
সান ব্র্যান্ডের চিপস
আরা ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
আল সাফি ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
মিজান ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
মর্ণ ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
ডানকানের ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার
আর আর ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
দিঘী ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
ডুডলি ব্র্যান্ডের নুডলস
টেস্টি তানি তাসকিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার
প্রিয়া সফট ড্রিংক পাউডার
ড্যানিশ ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
ফ্রেস ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুড়া
ড্যানিস ব্র্যান্ডের কারী পাউডার
বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি
পিওর হাটহাজারির মরিচের গুড়া
মিষ্টিমেলার লাচ্ছা সেমাই
মধুবনের লাচ্ছা সেমাই
মিঠাই এর লাচ্ছা সেমাই
ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই
এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ
মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ
কিং ব্র্যান্ডের ময়দা
রূপসা ব্র্যান্ডের দই
মক্কা ব্র্যান্ডের চানাচুর
মেহেদি ব্র্যান্ডের বিস্কুট
বাঘাবাড়ী স্পেশালের ঘি
নিশিতা ফুডসের সুজি
মধুযুলের লাচ্ছা সেমাই
মঞ্জিল ফুডের হুলুদের গুড়া
মধুমতি ব্র্যান্ডের আয়োডিন যুক্ত লবণ
সান ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
গ্রীনলেনের মধু
কিরণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
ডলফিন ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া
ডলফিন ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
সূর্য ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া
জেদ্দা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
অমৃত ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
দাদা সুপারের আয়োডিন যুক্ত লবণ
তিনতীরের আয়োডিনযুক্ত লবণ
মদিনা, স্টারশীপের আয়োডিনযুক্ত লবণ
তাজ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ
নূর স্পেশালের আয়োডিন যুক্ত লবণ

এর আগে গত ৯ মে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের পরীক্ষায় ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমাণের পণ্য জব্দ এবং এসব পণ্য প্রত্যাহার ও উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। কনশাস কনজ্যুমার সোসাইটির (সিসিএস) পক্ষে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান রিটটি করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত বিএসটিআই ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের ডেপুটি ডিরেক্টরের নিচে নন এমন দু’জন কর্মকর্তাকে তলব করেন, যার ধারাবাহিকতায় ১২ মে রবিবার আদালতে হাজির হন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক মো. রিয়াজুল হক এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক ড. সহদেব চন্দ্র সাহা।

প্রসঙ্গত, গত ৩ ও ৪ মে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়, বিএসটিআই সম্প্রতি ২৭ ধরনের ৪০৬টি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ৩১৩টি পণ্যের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি পণ্য নিম্নমানের ও ভেজাল রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ রিপোর্ট প্রকাশ করে বিএসটিআই।

মন্তব্য করুন