“মা”

প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০১৯

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম ‘মা’। এই ছোট্ট শব্দটির ওজন আকাশসম। পৃথিবীর অর্থবহ ও মর্দাদাপূর্ণ সবচেয়ে ছোট্ট শব্দটিও মা। এই একটি শব্দে কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস।

অন্ধকারের আলো মা, হতাশার সান্ত্বনা মা, বিপদের পথদিশারী মা, দুঃখ-বেদনায় সুখের ঠিকানা মা। মাকে ভালোবাসতে আলাদা কোনো দিবস বা সময়ের প্রয়োজন হয় না। সবসময়ই মাকে ভালোবাসা যায় এবং ভালোবাসতে হবে।


রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মা-বাবার খুশিতে (সন্তানের ওপর) আল্লাহও খুশি, মা-বাবার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহও অসন্তুষ্ট। অন্য একটি হাদীসে তিনবার মাকে ভালোবাসার কথা বলে পরে বাবার কথা বলেছেন। সন্তানের জন্য মায়ের আদর পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার। সন্তান প্রসবকালে মা যেই যন্ত্রণা সহ্য করেন, পৃথিবীর আর কেউ সেই যন্ত্রণা কল্পনাও করতে পারে না। গবেষকরা বলেন, একজন মানুষ যন্ত্রণা সহ্য করতে পারে ৩৫-৪৫ পার্সেন্ট, এর বেশি হলে মারা যায়। কিন্তু সন্তান প্রসবকালে একজন মা’র যন্ত্রণার পার্সেন্ট থাকে ৫২-৫৫! সন্তানের জন্য মায়ের দোয়া সবচেয়ে বেশি কার্যকর।


হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহ. এর ঘটনা ছোট সময়ে বইতে পড়েছি। ঘটনার সত্যমিথ্যা জানা নেই, তবে সেটা অসম্ভবের কিছু না। সাহাবী আলকামা রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুর ঘটনা শুনেছি। হ্যাঁ, এটাই মা। একজন মা সন্তানের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ঘটে যাওয়া এসব ইতিহাস থেকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি, সন্তানের জন্য মা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

নেপোলিয়ন বলেছিলেন, “তোমরা আমাকে একজন আদর্শ মা দাও, আমি তোমাদের আদর্শ জাতি উপহার দেবো”। এটাই বাস্তব। একজন মাকে কারও সঙ্গে তুলনা করা যায় না। তাই প্রত্যেক সন্তানের উচিৎ প্রতিটা ক্ষণে মাকে ভালোবাসা। অতএব, মাকে ভালোবাসতে আলাদা দিবসের প্রয়োজন নেই।

তবুও আজকের মা দিবসের দাবি ও কামনা, পৃথিবীর সব মা-সন্তান ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক, থাকুক ভালোবাসার বন্ধনে চিরকাল।

মন্তব্য করুন