হৃদয়ে কলরব : মুখে মুখে কলরব

প্রকাশিত: ১০:২৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

 -ইবনে মুসা

‘কলরব’ দেশের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম। সংগঠনটির এতটা পরিচিতি বা বিস্তৃতি ঘটেছে, এখন শুধু ‘কলরব’ বললেই সবাই চিনে ফেলে। ইসলামী সংগীত কিংবা হামদ-নাতের ক্ষেত্রে শ্রোতাচাহিদার প্রথম পছন্দ কলরব।

 

এটা অবশ্য কলরবের ক্রিয়েটিভ কাজের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। সৃজনশীল ও চাহিদার জায়গা থেকে সুন্দর ও স্মার্ট কাজে শ্রোতাহৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে তারা।

 

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটি নিরব বিপ্লব ঘটিয়েছে কলরব। বিষয়টা আমার মাথায় আসে গত ১৫ এপ্রিল। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে বিকাল তিনটার ফ্লাইটে উঠে বিকাল চারটা নাগাদ কক্সবাজার বিমানবন্দরে ল্যান্ড করি। বাইরে বের হতেই ‘সালাত’ সংগীতটির শ্রুতিমধুর কথামালা কানে ভেসে আসে। আমি নিজেও সংগীতটির ভক্ত। তখনই বিষয়টা নিয়ে এক বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করি। দেশের যে কোনো জায়গায় কলরবের গজল-সংগীত শোনা যায়।

 

কলরবের যে কোনো বিষয়ের ইসলামিক গান রিলিজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশব্যাপী সংগীতপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে যায়। মানুষের হৃদয়ে কলরব যে আসন গেড়েছে, তা যুগযুগ ধরে যে বিদ্যমান থাকবে, সেটা চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায়।

বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত, সবার পছন্দ কলরব। বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায়ও থাকে কলরবের সংগীত। শ্রোতারাও কলরবের সংগীত শোনতে পছন্দ করে। দেশের বাইরে বাংলাদেশী প্রবাসীদের অবসর কাটে কলরবের সংগীত শুনে।

 

যতগুলো দেশে সফর করেছি, তার প্রত্যেকটিতে কলরবের সংগীতের জয়জয়কার। সংশ্লিষ্টদের কতটা ধর্য ও পরিশ্রমের ফলে একটি সংগঠন এতটা বিস্তৃতি লাভ করতে পারে তা গবেষণার দাবি রাখে। অবশ্য কলরবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদের কোরবানীও উল্লেখযোগ্য। কলরবিয়ানরা আরও এগিয়ে যাক। হয়ে উঠুক ইসলামী সংগীতাঙ্গনের দেয়ালপ্রতীক।

 

 

মন্তব্য করুন