রাশেদ খান মেননরা বাংলাদেশের দুশমন : মুফতী ফয়জুল করীম

প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, মার্চ ৫, ২০১৯

গত ৩ মার্চ সংসদে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের সম্পূরক আলোচনায় ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধান কমিউনিস্ট নেতা রাশেদ খান মেনন এদেশের ইসলামপন্থীদের “মোল্লাতন্ত্র” আল্লামা আহমদ শফীকে “তেতুল হুজুর” বলাসহ বেশ কিছু মন্তব্য করেন। এসব মন্তব্যকে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার চেষ্টা বলে দাবি করছে আলেম সমাজ।

সে ধারাবাহিকতায় রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট আলেমে দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম।

আজ চাঁদপুরের মতলব উত্তরের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “মন্ত্রীত্ব না পেয়ে রাশেদ খান মেননের মাথা খারাপ হয়ে গেছে_তাই তিনি কওমী মাদরাসা ও সমস্ত আলেমদের মুরুব্বী আল্লামা আহমদ শফী নিয়ে এভাবে কটুক্তি করেছেন” তিনি যেহেতু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের মত একজন মানুষ যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল_তার উদহারন টেনে কথা বলছেন তাই আমরা বলতে পারি তিনি বাংলাদেশের দুশমন।

তিনি আরো বলেন, রাশেদ খান মেননসহ আরো যারা নাস্তিক পরিচয় দিয়ে থাকেন তাদের মূল টার্গেট কোন ধর্ম নয় বরং তাদের টার্গেট হল ইসলাম। সংসদে দেয়া রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মেনন সাহেব সংসদে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদহরণ টেনেছেন অথচ রবি ঠাকুর বাংলাদেশ স্বাধীনতার পক্ষে না থেকে অখন্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন_তার উদ্বৃতি দিয়ে যদি আপনি কথা বলেন তাহলে বলব আপনি বাংলাদেশের দুশমন”

কওমী মাদরাসা ও আল্লামা আহমদ শফীকে নিয়ে কটুক্তির জবাবে মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, এদেশে কওমী মাদরাসা ছিলো, থাকবে। আল্লামা আহমদ শফীর সম্মান আগেও ছিল এখনও আছে_ভবিষ্যতেও থাকবে কিন্তু যারা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবে তারা এদেশে থাকতে পারবে না।

আরও

রাশেদ খান মেননরা দেশে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করতে চায় : অধ্যক্ষ ইউনুস

মন্তব্য করুন