দিনশেষে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন ৮০জন, ৭৬ জনের প্রার্থীতা চূড়ান্তভাবে অবৈধ

প্রকাশিত: ২:৪৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮

পাবলিক ভয়েস: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক বাছাইয়ে বাতিল হওয়া মনোনয়ন প্রার্থীদের আপিল নিষ্পত্তির শুনানির প্রথম দিন শেষে ৮০জনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী শুনানি চলবে আগামী ৮ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবার প্রথম দিন ১ থেকে ১৬০ নম্বর আপিলের শুনানি হয়েছে। এতে ৮০জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।

৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দিনে ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর আবদনের শুনানি হবে। শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর শুনানি হবে ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর আবেদনের।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুনানি শুরু হয়ে নির্ধারিত আবেদন নম্বর শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

আজ প্রথম দিনের আবেদনে বিএনপির হেভিওয়েট অনেক প্রার্থীই তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। এরমধ্যে গোলাম মাওলা রনি, মেজর আক্তারুজ্জামানসহ আরো অনেকেই রয়েছেন।

আপিলে যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হলো:

গোলাম মাওলা রনি: আপিলে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে, গত রবিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং অফিসার। প্রার্থিতা ফিরে পেতে পরে তিনি ইসিতে আপিল করেন।

মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান: কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

মোর্শেদ মিল্টন: বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোর্শেদ মিল্টনের মনোনয়ন আপিলে মঞ্জুর করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার ইসিতে মনোনয়নের আপিল-নিষ্পত্তির শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দেয় ইসি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মিল্টন।

তমিজ উদ্দিন: ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী তমিজ উদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার ইসিতে মনোনয়নের আপিল-নিষ্পত্তির শুনানি নিয়ে এ ঘোষণা দেয় ইসি।

ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ এর ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, পটুয়াখালী-৩ মোহম্মদ শাহজাহান, পটুয়াখালী-১ মো. সুমন সন্যামত, মাদারীপুর-১ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সিলেট-৩ আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান, পাবনা-৩ হাসাদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান খান, নাটোর-১ আসনে বীরেন্দ্রনাথ সাহা, সিরাজগঞ্জ-৩ আয়নাল হক, গাজীপুর-২ মাহবুব আলম, গাজীপুর-২ জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম, খুলনা-৬ এসএম শফিকুল আলম, হবিগঞ্জ-২ আসনে মো. জাকির হোসেন, হবিগঞ্জ-১ জুবায়ের আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আবদুল্লাহ আল হেলাল, ময়মনসিংহ-২ মো. আবু বকর সিদ্দিক, শেরপুর-২ এ কে মুখলেসুর রহমান, হবিগঞ্জ-৪ মাওলানা মোহাম্মদ সোলায়মান খান রাব্বানী, নাটোর-৪ আলাউদ্দিন মৃধা, কুড়িগ্রাম-৪ মো. ইউনুছ আলী, বরিশাল-২ আনিছুজ্জামান, ঢাকা-৫ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ এ কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ মো. তোজাম্মেল হক, সিলেট-৫ ফয়জুল মনির চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আহম্মদ তাইবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনুর আহমদ লিটন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মো. মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আবু আসিফ, ঢাকা-১৪ মো. জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ মো. ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মো. আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ এম এ বাশার, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মো. মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-১ নূরুল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মুখলেসুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ মো. মাহবুব আলম, কুমিল্লা- ৫ মো. ইউনুছ, চাঁদপুর-৫ মো. নেয়ামুল বশির, বরিশাল-২ মোয়াজ্জেম হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ মো. আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ মো. রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ মো. নাজিবুল ইসলাম (শর্ত সাপেক্ষে), যশোর-৬ সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ ফকির শওকত আলি, সিরাজগঞ্জ-৫ ফকির শওকত আলী, নাটোর-৪ আব্দুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ মোজর (অব.) মনজুর কাদের, বগুড়া-৫ মো. আব্দুর রউফ মণ্ডল জন, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ মোহাম্মদ ফয়সাল বিন, রাজশাহী-১ মো. আমিনুল হক, দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ, গাইবান্ধা- ৩ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ মো. আনিছুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ আব্দুর রহিম সরকার, কুমিল্লা- ১১ মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ দুলাল খান ও ঝিনাইদহ-৩ মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন।

বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানি শেষে এসব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের শুনানি ও নিষ্পত্তি আজ সকাল ১০টায় শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন ভবনের ১১তলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামসুল হুদার আবেদনের শুনানির মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। শুনানি করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্য নির্বাচন কমিশনাররা।

তাছাড়া প্রথম দিন ১ থেকে ১৬০ নম্বর আপিলের শুনানি হয়েছে। এতে ৮০জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।

৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দিনে ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর আবদনের শুনানি হবে। শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর শুনানি হবে ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর আবেদনের।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুনানি শুরু হয়ে নির্ধারিত আবেদন নম্বর শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

আজ প্রথম দিনের আবেদনে বিএনপির হেভিওয়েট অনেক প্রার্থীই তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।

কেউ কেউ প্রার্থীতা ফিরে পেলেও অনেকেই ফিরে পাননি তাদের প্রার্থীতা। আজ প্রথম দিনে চূড়ান্তভাবে প্রার্থীতা অবৈধ ঘোষণা হয়েছে ৪০জনের।

যাদের প্রার্থীতা অবৈধ হয়েছে:-

নাটোর-২ মো. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ নবাব মো. শামসুল হুদা, খাগড়াছড়ির আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া, ঝিনাইদহ-১ আবদুল ওহাব, সাতক্ষীরা-২ আফসার আলি, মাদারীপুর-৩ মো. আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ মো. পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ এস এম খলিলুর রহমান, ফেনী-১ মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মিজানুল হক, ময়মনসিংহ-৪ আবু সাইদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মো. নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়-১ মো. তৌহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-২ মো. এমদাদুল হক, খুলনা-২ এস এম এরশাদুজ্জামান, ঢাকা-১ মো. আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ মো: আব্দুল মুহিত, বগুড়া-৬ এ কে এম মাহবুবুর রহমান, রাঙামাটির অমর কুমার দে, বগুড়া-৪ আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম), ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ এস এম মুজিবর রহমান, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ মো. বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ মো. আফজাল হোসেন, মৌলভিবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী, ফেনী-৩ হাসান আহমদ, ময়মনসিংহ-১০ মো. হাবিবুল্লাহ, জামালপুর-৪ মোহা. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-২ আব্দুল কাশেম, নীলফামারী-৪ মো. আমজাদ হোসেন, নীলফামারী-৩ মো. ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আখতার হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল ফয়েজ ভূইয়া, কুমিল্লা-১০ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-২ মো. সারওয়ার হোসেন, কুমিল্লা- ৪ মাহবুবুল আলম, নোয়াখালি-৩ এইচ আর এম সাইফুল ইসলাম, ফেনী-১ মো. নূর আহমদ মজুমদার, গাইবান্ধা-২ মো. মকদুবর রহমান, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৩ মো. মনজুরুল হক, নীলফামারী-৪ আখতার হোসেন বাদল, লালমনিরহাট-৪ মো. জাহাঙ্গীর আলম, নীলফামারী-৪ মিনহাজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবুল হাশেম, রংপুর-৫ মমতাজ হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ মো. ওসমান গণি, বাগেরহাট-৪ অমিনুল ইসলাম, মাগুরা-২ খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ, যশোর-২ মোসা. সাবিরা সুলতানা, নড়াইল-১ শিকদার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, যশোর-২ হাজী মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-১ শেখ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বগুড়া-৭ মো. সরকার বাদল, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ, বগুড়া-৪ অধ্যাপক মো. জাহিদুর রহমান, নওগাঁ-২ আব্দুর রউফ মান্নান, নওগাঁ-৫ মো. নজমুল হক, বগুড়া-৭ মো. আব্দুর রাজ্জাক, নাটোর-৪ ডিএম রনি পারভেজ আলম, নাটোর-৪ শান্তি রিবারু, সিরাজগঞ্জ-৩ সাইফুল ইসলাম শিশির, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম ভূইয়া, কুমিল্লা-৫ মো. শাহী আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, বান্দরবান-৩ মো. বকুল হোসেন, কুড়িগ্রাম-৪ মো. আবিদ আলভী।

এছাড়া স্থগিত রয়েছে ঝিনাইদহ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন ও চট্টগ্রাম-৫ আসনের মির মোহাম্মদ নাছিরের আপিল এবং অনুপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা-১ আসনের শাহ কুতুব উদ্দিন তালুকদার। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা শুনানি করেন।

 

s/s

মন্তব্য করুন